বৃহস্পতিবার | ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং |

পাঁচ জেলায় বজ্রপাতে আটজনের মৃত্যু

নিউজ ডেস্ক,সোমবার, ০৭ মে ২০১৮: বজ্রপাতে আজ সোমবার পাঁচ জেলায় আটজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নিহতদের মধ্যে চারজনই শেরপুরের। তাছাড়া- হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ ও কুমিল্লা জেলায় একজন করে মারা গেছেন। স্থানীয় প্রতিনিধি ও সংবাদদাতারা এ খবর পাঠিয়েছেন।

শেরপুর সদর উপজেলার হালগড়া গ্রামে আব্দুর রহিম নামে এক কৃষক মাঠে ধান কাটা অবস্থায় আজ বেলা পৌনে ১১টার দিকে বজ্রপাতে মারা গেছেন। আজ সকালে নালিতাবাড়ীতে প্রাইভেট পড়ে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে শারমিন নামে দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীর মৃত্যু হয়। শারমিন মো. সোহেল মিয়ার মেয়ে। সকাল পৌনে ১০টার দিকে শেরপুরের নকলা উপজেলার মোজারচর গ্রামে শহিদুল ইসলাম (২৫) নামে এক যুবক মাঠ থেকে কাটা ধান নিয়ে বাড়ি আসার পথে বজ্রপাতে মারা যান। তাছাড়া, শ্রীবরদী উপজেলার তাতিহাটি ইউনিয়নের বকচর গ্রামে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মাঠ থেকে মহিষ আনতে গিয়ে মারা যান কুব্বাত আলী (৬৫) নামে এক কৃষক।

হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচংয়ের মার্কুলি গ্রামে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। আজ সকাল ১১টার দিকে স্থানীয় এক হাওরে এ ঘটনাটি ঘটে। নিহত কৃষকের নাম বসু বৈষ্ণব (২৪)। তিনি ওই গ্রামের দীবেস্বর বৈষ্ণবের ছেলে। এ সময় তার সাথে কাজে থাকা একই গ্রামের হরিলাল বৈষ্ণবের ছেলে কৃষ্ণ কান্তি বৈষ্ণব (৪০) গুরুতর আহত হন।

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে আজ দুপুরে বজ্রপাতে উপজেলার কালাপুর ইউনিয়নের হাইল হাওরের পাড়ে মফিজ মিয়া (২৮) নামে এক মৎস্যজীবী নিহত হয়েছেন। এ সময় বজ্রপাতে রশীদ মিয়া (৩৬) ও মো. রফিক মিয়া (৬০) গুরুতর আহত হলে তাদেরকে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হতাহতদের বাড়ি কালাপুর ইউনিয়নের বরুনা গ্রামে।

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে বজ্রপাতে রাহেনা বেগম নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। আজ সোমবার উপজেলার রায়কোট দক্ষিণ ইউনিয়নের পূর্ব বামপাড়া গ্রামের চৌধুরী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। রাহেনা ওই বাড়ির ছেরাজুল হক চৌধুরীর স্ত্রী।

সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার ছায়ার হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে নব কুমার দাস (৬৫) নামের এক কৃষক নিহত হয়েছেন। আজ বেলা সাড়ে ১১টায় হাওরে এই ঘটনা ঘটে। নব কুমার উপজেলার হবিবপুর ইউনিয়নের নিয়ামতপুর গ্রামের বাসিন্দা।

fb-share-icon35
fb-share-icon20

৪,২০৪ thoughts on “পাঁচ জেলায় বজ্রপাতে আটজনের মৃত্যু