1. shahinit.mail@gmail.com : dhaka24 :
  2. arifturag@gmail.com : ঢাকা টোয়েন্টিফোর : ঢাকা টোয়েন্টিফোর
  3. sasujan83@gmail.com : ঢাকা টোয়েন্টিফোর : ঢাকা টোয়েন্টিফোর
বৃহস্পতিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ০৪:৪৭ অপরাহ্ন

যেকোনও সমস্যা বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে সমাধান করবো: কলকাতায় প্রধানমন্ত্রী

Reporter Name
  • প্রকাশিত | শুক্রবার, ২৫ মে, ২০১৮

নিউজ ডেস্ক,শুক্রবার, ২৫ মে ২০১৮:
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘মুক্তিযুদ্ধে ভারত বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছে। এই অবদান আমরা ভুলবো না। এক কোটি মানুষকে আশ্রয় দিয়েছে, আমাদের দুই দেশের যোদ্ধাদের রক্ত মিশে গেছে। স্বাধীনতার পর মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি হয়। স্থল সীমান্ত চুক্তি। ভারতের সবাই দল-মত নির্বিশেষে এক হয়ে বিলটি পাস করে দিলো। দুই দেশ সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে ছিটমহল বিনিময় করেছি। একটা বিশ্বে একটা দৃষ্টান্ত। উৎসমুখর পরিবেশে এই বিনিময় হয়েছে। এজন্য সবার প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন। ওই সময় আমি আবার দেখলাম, প্রতিবেশী বড় বন্ধু। ভবিষ্যতে যেকোনও সমস্যা আমরা বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে সমাধান করতে পারবো।’

শুক্রবার (২৫ মে) ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের শান্তিনিকেতনে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘বাংলাদেশ ভবন’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে মঞ্চে ছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

দুই বাংলার সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ ভবন উদ্বোধনের সুযোগ পেয়ে আনন্দিত। কবিগুরুর হাতে গড়া শান্তিনিকেতন। তিনি আমাদেরও। দুই দেশের জাতীয় সংগীত তিনি লিখেছেন। তার বেশিরভাগ কবিতাই বাংলাদেশে বসে লেখা। তাই আমাদের অধিকার বেশি।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্বভারতী বিশ্বদ্যালয়ের সঙ্গে আমার সম্পর্ক পুরনো। তারা আমাকে সম্মানিত করেছে। আমি মনে করি এটা আমারও বিশ্ববিদ্যালয়।’ বাংলাদেশের সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় এবং কবিগুরুর স্মৃতিবিজড়িত কুষ্টিয়ায় ভারত ও বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বলেন, আমরা দুই প্রতিবেশী দেশ এক হয়ে চলতে চাই। প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে সমস্যা থাকতে পারে। কিন্তু একে একে আমরা সব সমস্যার সমাধান করেছি। এখনও কিছু কথা আছে। কিন্তু সে কথা এখন বলে এখানকার পরিবেশ নষ্ট করতে চাই না। কিন্তু আমরা বিশ্বাস করি, যে কোনো সমস্যা বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে পারব।

রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমার সরকারকে চাপ দেয়ার জন্য ভারতের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রেহিঙ্গাদের মানবিক কারণে আশ্রয় দিয়েছি। আমাদের ১৬ কোটি মানুষের দেশ। তারপরও আমরা তাদের সহযোগিতা করছি। তবে সহযোগিতা চাই, রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে মিয়ানমার সরকারকে চাপ অব্যাহত থাকুক।’

আরো সংবাদ পড়ুন
© All rights reserved &copy | 2016 dhaka24.net
Theme Customized BY WooHostBD