1. shahinit.mail@gmail.com : dhaka24 : ঢাকা টোয়েন্টিফোর
  2. arifturag@gmail.com : ঢাকা টোয়েন্টিফোর : ঢাকা টোয়েন্টিফোর
  3. sasujan83@gmail.com : ঢাকা টোয়েন্টিফোর : ঢাকা টোয়েন্টিফোর
  4. mdjihadcfm@gmail.com : ঢাকা টোয়েন্টিফোর : ঢাকা টোয়েন্টিফোর
মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১, ০৯:৪৪ অপরাহ্ন

এক কেজি ইলিশ ১০০ টাকা!

ঢাকা টোয়েন্টিফোর
  • প্রকাশিত | শনিবার, ১৩ অক্টোবর, ২০১৮

কয়েক দিন আগেও যেখানে এক কেজি আকারের একটি ইলিশের দাম ছিল ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা, এখন সেখানে ১০০ টাকায় এক কেজি পরিমাণ ইলিশ মিলছে। বাজারে নেই, কিন্তু বাড়িতে বসেই কেনা যাচ্ছে ইলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার উপজেলার গ্রামাঞ্চলে বস্তায় করে ইলিশ বিক্রি করতে দেখা গেছে।

প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিন ইলিশ শিকার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। গত ৭ অক্টোবর থেকে এই নিষেধাজ্ঞা চলছে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে যাতে জেলেরা ইলিশ শিকার না করতে পারে সে জন্য চলছে অভিযান।

কিন্তু দিনে অভিযান চললেও রাতে লৌহজংয়ে পদ্মা নদী হয়ে পড়ছে অরক্ষিত। এ সুযোগে কিছু জেলে অবাধে ইলিশ শিকার করছে। কয়েক দিন ধরে বৈরী আবহাওয়া এবং জেলা প্রশাসনের নির্বাহী হাকিম না থাকায় গতকাল কোনো অভিযান চালানো সম্ভব হয়নি বলে জানান উপজেলা ভারপ্রাপ্ত জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মো. ইদ্রিস তালুকদার।

উল্লেখ্য, গত পাঁচ দিনের মধ্যে মাত্র এক দিন ভ্রাম্যমাণ আদালত পদ্মা নদীতে অভিযানে নামে। গত বুধবার অভিযান চালিয়ে ২৪ জেলেকে জেল ও জরিমানা করা হয়।

গতকাল উপজেলার উত্তর হলদিয়া গ্রামে ১৫-১৬ বছরের এক কিশোরকে প্লাস্টিকের বস্তায় করে ইলিশ বিক্রি করতে দেখা যায়। এক গৃহবধূ ছোট-বড় মিলিয়ে ২৩টি ইলিশ কেনেন ৫০০ টাকায়। যার ওজন ছিল পাঁচ কেজি। টাকার হিসাবে এক কেজি ইলিশের দাম পড়ে ১০০ টাকা। উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজনীন আক্তার স্বর্ণা কালের কণ্ঠকে ইলিশ নিয়ে তাঁর তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা জানান। গতকাল দুপুরে উপজেলার প্রধান সড়কের বুড়দিয়া থেকে তিনি অটোরিকশায় মাওয়ার উদ্দেশে রওনা দেন।

পথে কনকসার বাজার থেকে বোরকা পরা ২৫-২৬ বছরের এক নারী ওই গাড়িতে ট্রাভেলিং ব্যাগ নিয়ে ওঠেন। নাজনীন আক্তার তাঁর কাছে জানতে চান ব্যাগে কী আছে? ওই নারী জানান, তাঁর ব্যাগে ইলিশ মাছ আছে। তিনি ১৬টি ইলিশ কিনেছেন ৮০০ টাকা দিয়ে। এই ইলিশ তিনি ঢাকা নিয়ে যাবেন। ওই নারী আরো বলেন, তিনি দিনে তিন-চারবার ঢাকায় গিয়ে ইলিশ বিক্রি করে আসেন।

নাজনীন আক্তার বলেন, তিনি এই বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মাওয়া নৌ পুলিশ ও ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে কথা বলেছেন। কিন্তু কোনো প্রতিকার পাননি।

fb-share-icon35
56

আরো সংবাদ পড়ুন




© All rights reserved &copy | 2016 dhaka24.net
Theme Customized BY WooHostBD