শনিবার | ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং |

বিএনপির কিছু মন্ত্রী প্রয়োজনের তুলনায় বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান করেছে

নিউজ ডেস্ক | রবিবার,৩০ জুন ২০১৯:
বিএনপির সময় কোনো কোনো প্রভাবশালী মন্ত্রী তার নিজের এলাকায় প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান করেছেন জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, এসব এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের মান যাচাই করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি।

রোববার জাতীয় সংসদে নিজ মন্ত্রণালয়ের দাবির বিপরীতে ছাঁটাই প্রস্তাবের ওপর বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

এর আগে বিরোধী দল জাতীয় পার্টি ও বিএনপির ১০ জন সংসদ সদস্য মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের বরাদ্দের বিরুদ্ধে ছাঁটাই প্রস্তাব দেন।

ডা. দীপু মনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গবন্ধুর কন্যার সরকার প্রাথমিক শিক্ষাকে জাতীয়করণ করেছে। আর কেউ এটা করেনি। বঙ্গবন্ধুর কন্যার সরকার এমপিওভুক্তি যেভাবে করেছেন সেইভাবে আর কোনোদিন হয়নি।’

ছাঁটাই প্রস্তাব দেয়া বিএনপি ও জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘যারা ছাঁটাই প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন তাদের দলগুলো দীর্ঘদিন এদেশে ক্ষমতায় ছিল। আমরা ক্ষমতায় থাকতে তাদের ক্ষতার অপব্যবহার দেখেছি। তখনকার শিক্ষাখাতে বরাদ্দ, শিক্ষার মান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মান সম্পর্কেও আমরা অবগত আছি।’

বিএনপির সরকারের আমলের এমপিওভুক্তির প্রসঙ্গ টেনে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘নতুন এমপিওভুক্তির জন্য তালিকা যখন দেখছি, দেখতে পাচ্ছি কোথাও কোথাও বৈষম্য হচ্ছে। কয়েকটি এলাকায় দেখেছি যতগুলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকার প্রাপ্যতা রয়েছে তার থেকে বেশি সংখ্যক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। পাশাপাশি সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং তার সবই এমপিওভুক্ত।’

তিনি বলেন, ‘সেই এলাকাগুলো দেখলে এবং কখন এমপিও হয়েছে তা দেখলে দেখা যাবে বিএনপি জামায়াতের সময়ে এগুলো এমপিওভুক্ত। কোনো কোনো প্রভাবশালী মন্ত্রী তার নিজের এলাকায় প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান করেছেন। মান যাচাই না করে এগুলো নিয়মবহির্ভূতভাবে এমপিওভুক্ত করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘কোথাও কোথাও ছাত্র নেই, শিক্ষক নেই-কিছুই নেই। কাজেই আমরা এখন সারাদেশে অতীতে যত এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান হয়েছে, এসব এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের মান যাচাই করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি।’

fb-share-icon35
fb-share-icon20

Enjoy this blog? Please spread the word :)