শনিবার | ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং |

নোবেলের যেই গান প্রচার করেনি জি বাংলা!

বিনোদন ডেস্ক | সোমবার, ২৯ জুলাই ২০১৯:
‘সারেগামাপা’ প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে ভারতের কলকাতা আর বাংলাদেশে ব্যাপক পরিচিতি পান মাঈনুল আহসান নোবেল। সেখানে তিনি প্রিন্স মাহমুদের লেখা ও সুর করা পাঁচটি গান গেয়েছেন।

প্রতিযোগিতার শুরুর দিকে ‘বাবা’র মতো জনপ্রিয় গানের কারণেই দ্রুত পরিচিতি পান নোবেল। এরপর প্রিন্স মাহমুদের কথা সুরে ‘মা’ গানটি তাকে আরও বেশি আলোচনায় নিয়ে আসে। এরপর তিনি ‘এত কষ্ট কেন ভালোবাসায়’ এবং ‘হতেও পারে এই দেখা শেষ দেখা’ গানগুলো গেয়েছেন।

এদিকে গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠানে তিনটি গান গেয়েছেন নোবেল, এর মধ্যে অন্য দুটি গান হচ্ছে আইয়ুব বাচ্চুর ‘সেই তুমি’ এবং প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের ‘আমি বাংলায় গান গাই’।

জি বাংলার নিজস্ব ওয়েবসাইট এবং বিজ্ঞাপনে ‘আমি বাংলায় গান গাই’ গানটির অংশবিশেষ প্রচার করা হচ্ছে। কিন্তু ‘বাংলাদেশ’ গানটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচার করেনি জি বাংলা।

তবে অনুষ্ঠানের রেকর্ডিংয়ের সময় গোপনে ধারণ করা একটি ভিডিওতে নোবেলকে ‘বাংলাদেশ’ গানটি করতে দেখা গেছে। অনুষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক একজন জানান, পরিচালকের সিদ্ধান্ত নিয়েই প্রোমোতে (বিজ্ঞাপন) গানটি প্রচার করেননি।

জেমসের গাওয়া ‘বাংলাদেশ’ গানটি ২০০০ সালে ‘পিয়ানো’ নামের একটি মিশ্র অ্যালবামে প্রথম প্রকাশ হয়। শুরু থেকেই গানটি তুমুল জনপ্রিয়তা পায়।

এবার ‘সারেগামাপা’য় প্রথম হয়েছেন অঙ্কিতা। যৌথভাবে ১ম রানারআপ গৌরব ও স্নিগ্ধজিৎ আর ২য় রানারআপ হয়েছেন প্রীতম ও মাঈনুল আহসান নোবেল।

পশ্চিমবঙ্গের বেসরকারি টিভি চ্যানেল জি বাংলার আয়োজনে গত বছরের সেপ্টেম্বরে শুরু হয় ‘সারেগামাপা ২০১৮-১৯’ প্রতিযোগিতা। ভারত থেকে নির্বাচিত ৪৮ জন প্রতিযোগী অংশ নেন। প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ থেকে অংশ নেন অবন্তি সিঁথি, তানজীম শরীফ মুগ্ধ, রোমানা ইতি, মেজবা বাপ্পী, আতিয়া আনিসা, মন্টি সিনহা ও নোবেল। বাকিরা নানা ধাপে ছিটকে গেলেও গোপালগঞ্জের ছেলে নোবেল জায়গা করে নেন চূড়ান্তপর্বে। গতকাল রোববার শেষ পর্ব প্রচারের মধ্য দিয়ে শেষ হয় এবারের আয়োজন।

fb-share-icon35
fb-share-icon20

Enjoy this blog? Please spread the word :)