বুধবার | ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং |

‘অগ্নিকাণ্ডে কেউ চাপা পড়েছে কিনা তল্লাশি চলছে’

নিজস্ব প্রতিবেদক | শনিবার,১৭ আগস্ট ২০১৯:
রাজধানীর মিরপুরে সেকশন-৭ এ চলন্তিকার মোড়ে বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কেউ নিখোঁজ কিংবা চাপা পড়েছে কিনা তা তল্লাশি করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স সদর দফতরের সহকারী পরিচালক মো. রেজাউল করিম।

শনিবার (১৭ আগস্ট) সকাল ১১টায় অগ্নিকাণ্ডস্থলে ব্রিফিংয়ে এ কথা জানিয়ে তিনি বলেন, এখানে আমাদের তিনটি ইউনিট সার্চিং এ কাজ করছে। বস্তিতে লাগা ভয়াবহ আগুন সাড়ে তিন ঘণ্টা পর ফায়ার সার্ভিসের ২৪টি ইউনিটের চেষ্টায় রাত সাড়ে ১০টার দিকে নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে পুরোপুরি নির্বাপিত হয় রাত দেড়টার দিকে।

এছাড়া তিনি আরও জানান, অগ্নিকাণ্ডে বস্তির প্রায় সাড়ে ৫শ’ থেকে ৬শ’ ঘর পুড়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তিন হাজার পরিবার।

রেজাউল করিম বলেন, বস্তির অধিকাংশ ঘর টিনশেড কাঁচা ঘর হওয়ায় আগুন নিয়ন্ত্রণে বেগ পেতে হয়। এখন পর্যন্ত আগুনে আহত চারজন। তারা হলেন, কবির (৩৫), হাবিব (১৯), রফিক ও শরিফ। তাদের স্থানীয় হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে কেউই দগ্ধ কিংবা গুরুতর আহত হননি।

এর আগে মিরপুরে বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বহু হতাহতের আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়। ঝিলপাড় বস্তির এক বাসিন্দা বলেন, এখানে প্রায় সাত হাজার ঘর রয়েছে। ভেতরে অনেক লোক আটকা পড়ে আছে। আমিও ভেতরে ছিলাম। অনেক কষ্টে বেরিয়ে এসেছি।

রাতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব অরুণ কান্তি শিকদার বলেছেন, আপনারা জানেন ৭টা ২২ মিনিটে আগুন লাগে। ৭টা ২৮ মিনিটে ফায়ার সার্ভিস আসছে। আগুনের ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠনের কথাও জানান তিনি।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সিটি করপোরেশন ও ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে জানান ত্রাণ ও দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান।

তিনি আরও জানান, আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবারকে আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি থাকার ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে। বস্তিবাসীদের জন্য বাউনিয়া বাঁধে আধুনিক ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হচ্ছে, সেখানে বস্তিবাসীদের স্থানান্তরের পরিকল্পনা চলছে।

অন্যদিকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, মিরপুরের রূপনগরের অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের সুচিকিৎসা, আহার ও বাসস্থানসহ সবধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হবে। এ মুহূর্তে প্রথম কাজ আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা এবং আহতদের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা।

তিনি বলেন, এই মুহূর্তে যারা আহত হয়েছেন, তাদের সুচিকিৎসা প্রদান করা অন্যতম কাজ। তাছাড়া যাদের ঘর-বাড়ি পুড়ে গেছে, তারা জানেন না এখন বা আগামীকাল তারা কি খাবেন, কোথায় থাকবেন। ক্ষতিগ্রস্ত বস্তিবাসীর জন্য চিকিৎসা, আহার, বাসস্থান সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে সিটি করপোরেশন।

fb-share-icon35
fb-share-icon20

সময় বাচাঁতে ঘরে বসে কেনা-কাটা

Enjoy this blog? Please spread the word :)