বৃহস্পতিবার | ১লা অক্টোবর, ২০২০ ইং |

রায় কার্যকর চায় আতিক কুদ্দুছের পরিবার ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা

চাঁদপুর | বৃহস্পতিবার,২২ আগস্ট ২০১৯:
২০০৪ সালে ২১ আগস্ট ঢাকার বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের জনসভায় বর্বরোচিত ও পৈশাচিক গ্রেনেড হামলায় ঝরে যায় তরতাজা ২৩ প্রাণ। আহত হন শতাধিক মানুষ। ওই ২৩ জনের মধ্যে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার উত্তর পাচানী গ্রামের আওয়ামী লীগ কর্মী আতিক সরকার এবং স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও হাইমচর উপজেলার উত্তর চর কৃষ্ণপুর গ্রামের আবদুল কুদ্দুছ পাটওয়ারী নিহত হন। দীর্ঘ ১৫ বছর পরও নিহত চাঁদপুরের দুই পরিবার হামলাকারীদের রায় কার্যকর না হওয়ায় এখনো শোকাহত। তারা সরকারের কাছে মামলার রায়ের দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন।

মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের উত্তর পাঁচানি গ্রামের বাসিন্দা আওয়ামী লীগ কর্মী আতিক সরকার। ঢাকায় একটি কারখানায় শ্রমিকের কাজ করতেন তিনি। নিহত হওয়ার পর রেখে যান স্ত্রী ও চার সন্তান।

তার স্ত্রী লাইলি বেগম জানান, তার স্বামীর মৃত্যুর কিছুদিন পর দলের পক্ষ থেকে এক লাখ ২০ হাজার টাকা সহায়তা করা হয় এবং এরপর দীর্ঘ নয় বছর অতিকষ্টে সংসার পরিচালনা করেন তিনি। ২০১৩ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা ফিক্সড ডিপোজিট করে দিলে ১০ হাজার টাকা লভ্যাংশ দিয়ে চলছে তাদের সংসার। তার সংসারের সচ্ছলতা ফিরিয়ে আনতে মেয়ে ও বড় ছেলের কর্মসংস্থানের দাবি করেছেন সরকারের কাছে। পাশাপাশি তার স্বামীর হত্যাকারীদের রায় কার্যকর করার দাবি করেছেন।

অপরদিকে স্বেচ্ছাসেবকলীগের কেন্দ্রীয় নেতা আবদুল কুদ্দুছ পাটওয়ারীর হত্যাকারীদের বিচার দেখে যেতে পারেননি তার মা আমেনা বেগম। তিনি ২০১৪ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি মৃত্যুবরণ করেন।

কুদ্দুছের বড় ভাই মো. হুমায়ুন কবির জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার ভাইয়ের মৃত্যুর পর সব সময় খোঁজখবর রেখেছেন এবং সহায়তা করেছেন। আমরা হামলার ঘটনায় হওয়া মামলার রায় কার্যকর করার দাবি জানাই।

fb-share-icon35
fb-share-icon20

সময় বাচাঁতে ঘরে বসে কেনা-কাটা

Enjoy this blog? Please spread the word :)