মঙ্গলবার | ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং |

এবার যাত্রীবাহী বাস পিষে ফেলল ফুটপাতে দাঁড়ানো নারীর পা

নিজস্ব প্রতিবেদক | মঙ্গলবার, ২৭ আগস্ট ২০১৯:
রাজধানীর বাংলামোটর এলাকায় ট্রাস্ট পরিবহনের এই যাত্রীবাহী বাসের চাপায় পা হারিয়েছেন এক নারী। মঙ্গলবার, ২৭ আগস্ট।
আবারও রাজধানীর সড়কে বেপরোয়া বাস। আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটর এলাকায় ট্রাস্ট পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের চাপায় পা হারালেন এক নারী। দুর্ঘটনার শিকার এই নারীর নাম কৃষ্ণা রায় (৫২)। বাসের চাপায় তাঁর বাঁ পায়ে আঘাত লেগেছে। তিনি বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) সহকারী ব্যবস্থাপক।

গুরুতর আহত অবস্থায় কৃষ্ণা রায়কে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে তাঁকে পঙ্গু হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। বিকেল সোয়া পাঁচটায় এই প্রতিবেদন লেখার সময় কৃষ্ণা রায়ের পায়ে অস্ত্রোপচার চলছিল।

বিআইডব্লিউটিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, আজ দুপুরে অফিসের কাজে পুরান ঢাকায় যাওয়ার জন্য বাংলামোটরে বিআইডব্লিটিসির প্রধান কার্যালয় থেকে বের হন। সড়ক পার হয়ে বাংলামোটরের পূর্ব পাশে ফুটপাতে দাঁড়িয়ে ছিলেন। বেলা দুইটার দিকে কারওয়ান বাজার থেকে শাহবাগগামী ট্রাস্ট পরিবহনের একটি বাস ( ঢাকা মেট্রো ব ১১–৯১৪৫) সড়ক থেকে ফুটপাতে উঠে কৃষ্ণা রায়কে চাপা দেয়। বাসের চাপায় কৃষ্ণা রায়ের বাঁ পায়ে প্রচণ্ড আঘাত লাগে। উদ্ধার করে তাঁকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেলে এবং পরে পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

বিআইডব্লিউটিসির চিকিৎসক খন্দকার মাসুম হাসান বলেন, পঙ্গু হাসপাতালে আনার পর বিকেলে কৃষ্ণা রায়ের পায়ে অস্ত্রোপচার শুরু করা হয়। অস্ত্রোপচার শেষে তাঁর পায়ের অবস্থা সম্পর্কে জানা যাবে। তবে কৃষ্ণা রায়ের অবস্থা গুরুতর।

এদিকে দুর্ঘটনায় জড়িত বাসের চালককে আটক করা যায়নি। ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের (দক্ষিণ) অতিরিক্ত উপকমিশনার মেহেদী হাসান বলেন, ট্রাস্ট পরিবহনের বাসটি মিরপুর ডিওএইচএস থেকে শাহবাগ রুটে চলাচল করে। বাসের চাপায় কৃষ্ণা রায়ের একটি পা ভেঙে গেছে। দুর্ঘটনার পরপরই এর চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছেন। তবে বাসটি জব্দ করা হয়েছে।

এদিকে ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাসের চাপায় আহত ওই নারীর বাঁ পায়ের হাঁটুর নিচ থেকে অনেকটাই বিচ্ছিন্ন হয়ে শুধু চামড়ার সঙ্গে ঝুলে ছিল। এক মেয়ে ও এক ছেলের মা কৃষ্ণা রায়ের স্বামীর নাম রাধে সেন। রাজধানীর টিকাটুলী এলাকায় তাঁরা বসবাস করেন।

fb-share-icon35
fb-share-icon20

Enjoy this blog? Please spread the word :)