সোমবার | ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং |

পানের দোকানদার থেকে জমজম টাওয়ারের মালিক। কে এই ‘গোল্ডেন শফি’?

মাহমুদ হাসান নাঈম | শনিবার,২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯:
একজন পান ব্যবসায়ী থেকে এখন ঢাকা উত্তরাস্থ ১১ নং সেক্টরে বিলাশ বহুল ও অভিজাত জমজম টাওয়ারের মালিক শফিকুল ইসলাম শফিক। শুধু তাই নয় সুইচগেইট মোড়ের পাশেই আরেকটি বহুতল ভবন নির্মাণের কাজ শুরুর পথে যার নাম সাফা টাওয়ার।

এছাড়াও বিভিন্ন সেক্টরে প্লট ও ফ্লাটের অভাব নেই তার। বিলাসবহুল বাড়ি গাড়ি তো আছেই। যেন উত্তরাবাসীর কাছে এক ঝলকানো তকমা লাগানো ব্যক্তির নাম শফিকুল ইসলাম শফিক।

অপরদিকে বর্তমান ঢাকা সিটি করপোরেশনের ৪৪ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ায় যেন আরো একটি শক্তি যোগ হয়েছে। এতে সব সম্ভব তার পক্ষে।

বিভিন্ন সময়ে সমালোচিত হয়ে জাতীয় পত্রপত্রিকা ও টেলিভিশনে স্বর্ণ চোরাকারবারির মূল হোতা হিসেবে তার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচারিত হবার পরেও এই বিধিবাম চতুর গোল্ডেন শফি তার দৌরাত্ম আরো বেড়েই চলেছে অবৈধ অর্থের পাহাড়ের পেশিশক্তির দাপটে। কোন অদৃশ্য শক্তির কারনেই সংস্লিষ্ট প্রশাসনের ধরাছোয়ার বাহিরে রয়েছে এই বহুমাত্রিক ব্যবসায়ী।

জানা যায়, দীর্ঘদিন আগে বিমানবন্দর কাস্টমসের এক কর্মকর্তার ধাক্কায় ব্রিটিশ পাসপোর্টধারী বাংলাদেশি সুরত আলী নামক ব্যক্তি মারা যায়। যার প্রতক্ষ্যদর্শী ছিলেন এই গোল্ডেন শফি। ১৬৪ এ জবানবন্দি দেওয়ার কথা থাকলেও ঐ কাস্টমস কর্মকর্তার বদৌলতে গোল্ডেন শফির ভাগ্যের চাকা খুলে যায়। আর সেখান থেকেই বনে যান গোল্ডেন শফি। উক্ত মামলাটি চলমান রয়েছে।

শুধু তাই নয়, পানের দোকান থেকে উত্তরখান এলাকায় কসাই এর কাজ করতো এই শফিকুল ইসলাম শফিক। পিতা মৃত ফজল উদ্দিন। চার ভাই বোনের মধ্যে সে পরিবারের সবার বড়ভাই। পরবর্তীতে বিমানবন্দরে এক অন্ধ শক্তি ও রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় স্বর্ণ চোরাচালানের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে পড়েন। এরপর থেকে আর পিছু হটতে হয়নি তাকে। একজন স্বর্ণ চোরাচালানের গটফাদার হিসেবে নামের সাথে ‘গোল্ডেন শফি’ নাম যুক্ত হয় অতি অল্প সময়েই। বনে যায় রাতারাতি অবৈধ অর্থের পাহাড়ের মালিক।

শফিকুল ইসলাম ওরফে গোল্ডেন শফি! বিমানবন্দর এলাকায় একজন প্রতিষ্ঠিত স্বর্ণ চোরাচালানের গডফাদার হিসেবে যথেষ্ট পরিচিতি রয়েছে। এই প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে অন্যদিকে বিমানবন্দর বহুতল পার্কিং, দর্শনার্থী প্রবেশ কাউন্টারের ইজারাদার ও এয়ারপোর্ট রেস্তোরাঁর মালিক বনে গিয়ে লোকচোখে তকমা লাগিয়ে দিয়েছেন আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশকারীদের একজন এই শফিকুল ইসলাম শফিক ওরফে গোল্ডেন শফি।

এসব বহুমুখী কারবারের অন্তরালে টেন্ডারবাজি, সোনা চোরাচালান, ডলার ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছে তার নিয়ন্ত্রিত একটি বৃহৎ সিন্ডিকেট। সোনা চোরাচালানের নানা ঘটনায় ‘গোল্ডেন শফি’ নামে সমধিক পরিচিত শফিক কাস্টমস রেস্তোরাঁর ভিতরই ব্যক্তিগত অভিজাত চেম্বার গড়ে তুলেছেন। সেখানে সোনা চোরাচালান থেকে শুরু করে ইয়াবা, হিরোইন, আফিম, মদ-গাঁজা ও জুয়ার আসর সবকিছুই চলে নির্বিঘ্নে বলে জানায় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তারই এক অনুসারী। জুয়ার আসর থেকে মাতাল অবস্থায় তাকে একবার আটকো করে গোয়েন্দা পুলিশ।

এদিকে ২০১৪ সালের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, বছরের শুরুতে ছোট ছোট বেশ কটা চালান ধরার পর গত ২৫ মার্চ ২০১৪ আসে ১০৬ কেজি সোনার চালান। চট্টগ্রামের হজরত শাহ আমানত বিমানবন্দরের ৭ যাত্রীর সিটের নিচ থেকে এ সোনা আটক করা হয়। তাদের সঙ্গে ছিলেন আরও তিনজন। তারা হলেন শফিকুল ইসলাম গোল্ডেন শফি, মনসুর ইসলাম, নাহিত তালুকদার, পিয়ারুল ইসলাম, ইমতিয়াজ, ইয়াকুব,মাইন উদ্দিন, রহিম শিকদার, ফয়সাল ও ফজলুল হক নামক ব্যক্তি।

প্রকাশ, ২০১৭ সালে ডিএনসিসিতে যে সব হাটের ইজারা দেওয়া হয়েছিলো ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে, সেগুলোর ইজারাদার হিসেবে যাদের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে, তাদের প্রায় সবাই ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাদের কয়েকজন পদধারী নেতাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ইজারাদার ছিলেন গোল্ডেন শফি। উত্তরা ১৫ নম্বর সেক্টরের ১ নম্বর গোলচত্বর-সংলগ্ন খালি জায়গার হাটটি ইজারা পেয়েছিলেন উত্তরখানের ১৭০/৯ বেতুলীর বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম ওরফে গোল্ডেন শফি। তিনি উত্তরখান থানা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি হিসেবে দাম্ভিকতার সাথে বুক উচিয়ে চলেন । দলের প্রভাব খাটিয়ে দিনকে রাত, রাত কে দিনে পরিনত করতে পারেন এই গোল্ডেন শফি।

তার বিরুদ্ধে ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বর্ণ চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত থাকার গুরুতর ও একাধিক অভিযোগো রয়েছে। এ কারণে তিনি এলাকায় গোল্ডেন শফিক নামে বহুল আলোচিত ও পরিচিত। ঐ হাটটি পরের বছর তিন কোটি ৭৫ লাখ টাকায় ইজারা দেওয়া হয়েছিল। অথচ এবার তাকে এটি ইজারা দেওয়া হয়েছে মাত্র দুই কোটি ২১ লাখ টাকায়। নিয়ম অনুযায়ী, এটি গত বছরের চেয়ে অন্তত ১০ শতাংশ বেশি মূল্যে ইজারা দেওয়ার কথা। এ প্রসঙ্গে শফিকুল ইসলামের ভাষ্য ছিলো, গত বছরও তিনি হাটটি ইজারা নিয়েছিলেন। তবে তার ভাষ্যানুযায়ী দুই কোটি টাকা লোকসান হয়েছিল নাকি। এ জন্য তিনি কম দর দিয়েছেন।

এদিকে উত্তরা পশ্চিম থানা আওয়ামী লীগের একজন নেতা জানান, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী, রাজউকের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নাম ভাঙিয়ে নব্য আওয়ামী লীগের কিছু হাইব্রিড নেতা উত্তরার বিভিন্ন দখল প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত রয়েছে। এদের কারণে দলের সম্মান মারাত্মকভাবে ক্ষুন্ন হচ্ছে। তিনি আরো জানান, বিএনপির কয়েক নেতার সাথেও এদের যোগসাজশ রয়েছে। তিনি বলেন, ব্যবসায়ী শফিক ওরফে গোল্ডেন শফি ও তার কয়েকজন সহযোগী উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরে রাজউকের জমি দখল করে কাঁচাবাজার তৈরি করেছেন। এর সাথে রাজউকের অসাধু কিছু কর্মকর্তাও জড়িত। ওই কাঁচাবাজারের প্রতিটি দোকান থেকে চার লাখ টাকা করে অগ্রীম প্রায় ১০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন এ চক্র। আবাসিক এলাকার ভেতর অবৈধভাবে কাঁচাবাজার তৈরি করায় এলাকার পরিবেশও নষ্ট হচ্ছে বলে জানান অনেকেই।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে শফিকুল ইসলাম বলেন, আমি এসবের সাথে জড়িত নই। উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরে আমার কোনো কাঁচাবাজার নেই এবং ওই বাজারের সাথে আমি কোনোভাবেই জড়িত না। চার লাখ টাকার রিসিট দিয়ে প্রতিটি দোকান থেকে কয়েক কোটি টাকা নেয়ার ব্যাপারে তিনি বলেন, আমি কোন টাকা নেইনি। ব্যবসায়ী শফিক বলেন, আমার মার্কেটের নাম জমজম টাওয়ার। আমি কেন অবৈধ দখলের সাথে জড়িত হব। স্থানীয়রা জানান, শফিকুলের শ্যালক জনি ওই বাজার এখন নিয়ন্ত্রণ করছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে, উত্তরা থানা আওয়ামী লীগের একজন নেতা বলেন, শফিকের কোনো দল নেই। সে একজন স্বর্ণ চোরাকারবারির গডফাদার। কিছুদিন আগেও তাকে ডিবি পুলিশ গ্রেফতার করেছিল স্বর্ণ চোরাচালানের দ্বায়ে। সে মূলত একজন সুবিধাবাদী চতুরপ্রকৃতির লোক।

চারদলীয় জোট যখন ক্ষমতায় ছিল, তৎকালীন ঢাকা-৫ আসনের সাবেক এমপি মেজর কামরুল ইসলাম এর নেতৃত্বে রাজনীতিতে যুক্ত হন। এখন আবার আওয়ামী লীগ এর দায়িত্বে রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে প্রচুর অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও স্থানীয় আওয়ামী লীগ তাকে দল থেকে বহিষ্কার করেনি, বরং আরো জামাই আদরে রেখেছে কতিপয় নেতা এবং তাদের শেল্টার নিয়ে বীরদর্পে চালিয়ে যাচ্ছেন তার সকল অবৈধ ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রাজধানীর উত্তরাসহ নগরীর বিভিন্ন এলাকায় রাজউকের ১৫শ’ বিঘা জমি দীর্ঘদিন ধরে বেদখল রয়েছে। রাজউক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু করলেও রহস্যজনক কারণে তা এখন বন্ধ রয়েছে। বেদখলকৃত জমি উদ্ধারে কোনো মাথা ব্যথা নেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের। বরং দখলদারদের সাথে তাদের যোগসাজশ রয়েছে। সম্প্রতি রাজউকের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশেই উত্তরায় কয়েক শ’ কোটি টাকার জমি দখল করে নিয়েছে প্রভাবশালীরা।

অভিযোগকারীরা বলছেন, উত্তরায় রাজউকের জমি দখলের মহোৎসব চলছে। এসব জমিতে অস্থায়ী দোকানঘর, কাঁচাবাজার,কাপড়ের মার্কেট এবং বিভিন্ন মার্কেট তৈরি করে বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছে ভাড়া দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন এই চক্র।

উত্তরা সোনারগাঁও জনপদ রোডের উভয়পাশে ১৩, ১২, ১১ ও ১০ নম্বর সেক্টরে প্রায় হাজার কোটি টাকার রাজউকের জমি দখল করেছে প্রভাবশালী এই মহল। এ ছাড়া ওই রোডের ফুটপাতগুলোও অস্থায়ী ব্যবসায়ীদের দখলে। ফলে এলাকাবাসীর চলাচল করতে নানা সমস্যা ও দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এ দখল চলছে রাজউকের কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় আর এর আড়ালের মহানায়ক নাকি গোল্ডেন শফি।

প্রকাশ, উত্তরাস্থ নামে বেনামে সকল ভূইফোড় ক্লাবের প্রতক্ষ ও পরোক্ষ মদদদাতা হিসেবে এই গোল্ডেন শফির নাম সুপরিচিত। শুধু তাই নয়, প্রতিদিন কোননা কোন ক্লাবে রাত্রীযাপনের নজির চোখে পড়ার মত। যা অনুসন্ধান করলেই বেরিয়ে আসবে অনেক প্রকৃত তথ্য।

উল্লেখ্য, বিগত কিছু দিন আগে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দুই নম্বর টার্মিনালের সামনের কার পার্কিং এলাকা থেকে একদিনে ৩০টি গাড়ির যন্ত্রাংশ চুরি হয়েছে। ঘটনার পর বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) মেম্বার (অপস) এয়ার কমোডর মোস্তাফিজুর রহমান, শাহজালাল বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন কাজী ইকবাল করিম ও বেবিচকের পরিচালক প্রশাসন সাইফুল ইসলাম উদ্বেগ প্রকাশ করে গাড়ির যন্ত্রাংশ চুরির সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার ও মালামাল উদ্ধারের জন্য দায়িত্বরত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে ওই পার্কিং এলাকার ইজারাদার মেসার্স শফিক এন্ড ব্রাদার্সকে এ ঘটনায় কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল।

ভুক্তভোগী জামাল নামে একজন চালক জানান, তার গাড়ি ( ঢাকা মেট্রো-গ-২২-৭৫৬৯) নিয়ে মেসার্স শফিক এন্ড ব্রাদার্সের পার্কিং জোনে গাড়ি পার্ক করেন। তিনি বাথরুম থেকে ফিরে এসে দেখেন গাড়ির গুরুত্বপূর্ণ দুইটি যন্ত্রাংশ কে বা কারা খুলে নিয়ে গেছে। নাজিম নামে একজন চালক জানান, তিনি গাড়ি রেখে তার স্যার আসছে কিনা দেখতে ক্যনোপী এলাকায় যান। ৬/৭ মিনিট পরে ফিরে এসে দেখতে পান তার গাড়ির দুটি লুকিং গ্লাস নেই। রহতম নামে অপর একজন ড্রাইভার জানান, গাড়িতে তিনি ঘুমিয়ে ছিলেন, উঠে দেখেন তার গাড়ির একটি লুকিং গ্লাস, দুটি বিট খুলে নিয়ে গেছে কে বা কারা। বিমান বন্দরে কর্মরত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই চুরির ঘটনায় গোটা বিমানবন্দর জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃস্টি হয়েছে। বিমানবন্দরের অনেক গুরুত্বপূর্ণ এলাকা এখনো সিসি ক্যামেরার আওতার বাইরে। আর এই সুযোগটাই কাজে লাগিয়েছেন মেসার্স শফিক এন্ড ব্রাদার্স কর্তৃপক্ষ।

গোল্ডেন শফি এর সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি মুঠোফোনে ও তার অফিস কার্যালয়েও। বর্তমান সরকারের ঘোষণানুযায়ী দলে অনুপ্রবেশকারী এবং দুর্নীতিবাজদের ধরতে জিরো টলারেন্স ঘোষণা হবার পর থেকে নিজেকে গা ঢাকা দিতে গত ৫ দিন ধরে এই গোল্ডেন শফি অসুস্থতার ভানে ঢাকা অভিজাত হাসপাতাল ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলেও জানা গেছে।

যে কোন সময় উন্নত চিকিৎসার দোহাই দিয়ে দেশ
ত্যাগ করে বিদেশে পাড়ি জমাতে পারেন এই বিধিবাম চতুর গোল্ডেন শফি। তাই সরকারসহ সকল সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও উর্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ পূর্বক সুধী মহল মনে করছেন, শুধু ক্যাসিনো কিংবা মাদক ব্যবসায়ীদের ধরলেই সুদ্ধি অভিযান সফল হবেনা। সফল সরকারের এই সুদ্ধি অভিযানের অংশ হিসেবে এই স্বর্ণ চোরাচালানের গডফাদার গোল্ডেন শফি কেও আইনের আওতায় আনলেই থলের বিড়াল বেড়িয়ে আসবে এবং এ দেশে স্বর্ণ চোরাকারবারিদের দৌরাত্ম্য কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। স্বর্ণ চোরাচালানের সাথে জড়িত সংস্লিষ্ট সকলকেই আইনের আওতায় আনাও সম্ভব হবে, সেই সাথে বর্তমান সরকারের সুনাম অক্ষুণ্ন থাকবে।

বিঃ দ্রঃ জমজম টাওয়ারের মালিক শফিকুল ইসলাম ওরফে গোল্ডেন শফি এর অন্দরমহলের ভিতরের আরো চমকপ্রদ ও চাঞ্চল্যকর তথ্য আগামী পর্বে ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশিত হবে। চোখ রাখুন, সাথে থাকুন। চলবে…

fb-share-icon35
fb-share-icon20

Enjoy this blog? Please spread the word :)