বৃহস্পতিবার | ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং |

আপনি আসুন, দেখে যান খালেদা জিয়ার কি অবস্থা: প্রধানমন্ত্রীকে বিএনপির ৪ এমপি

নিউজ ডেস্ক | বুধবার, ২ অক্টোবর ২০১৯:
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে (বিএসএমএমইউ) এসে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে দেখে যাওয়ার আহবান জানিয়েছেন দলটির ৪ জন সংসদ সদস্য।

বুধবার (২ অক্টোবর) বিকেল পৌনে ৩টায় বিএসএমএমইউতে খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাত করেন সংসদ সদস্য জিএম সিরাজ, জাহিদুর রহমান, মোশাররফ হোসেন ও ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। প্রায় এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে খালেদা জিয়ার সঙ্গে সময় কাটান তারা।

পরে বের হয়ে সাংবাদিকদের জিএম সিরাজ বলেন, ‘আজ ১৮ মাস হলো দেশনেত্রী একটা সাজানো মামলায় ফরমায়েশি রায়ে বন্দি। ম্যাডামের শারিরীক অবস্থার বিষয়ে ইতিমধ্যে নেতৃবৃন্দ দেশবাসীকে জানিয়েছেন। অত্যন্ত অমানবিকভাবে আজকে ম্যাডামকে বন্দি করে রাখা হয়েছে। তার শরীর অবশ হয়ে গেছে। হাত পা চালাতে পারেন না। মাথার চুল নিজে আচড়াতে পারেন না। বাথরুমে নিজে যেতে পারেন না। সবকিছুতেই অন্যের সাহায্য নিয়ে করতে হয়।’

প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আমি এবং আমরা যারা ৭ জন সংসদ সদস্য রয়েছি সাংবাদিকদের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং সংসদ নেতার কাছে বলতে চাই, আপনি নিজে একবার আসুন। আপনি দেখে যান এই দেশের তিন তিনবারের প্রধানমন্ত্রীকে। আমরা নিশ্চিত আপনি যদি বেগম খালেদা জিয়াকে দেখেন তাহলে, আপনার মানবিক বোধ জাগ্রত হবে। আপনার মায়া হবে।’

জিএম সিরাজ আরও বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি উনি রাজনৈতিক বন্দি। তাই উনার জামিনের জন্য রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত দরকার। আপনি (প্রধানমন্ত্রী) আমলাতান্ত্রিক পরামর্শ না নিয়ে রাজনৈতিক দুরদর্শিতায় আপনি ওনার জামিনের ব্যবস্থা করে দিন। রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ছাড়া ম্যাডামের মুক্তি হবে না। আমরা সংসদ সদস্য হিসেবে আপনি সংসদ নেতার কাছে আমাদের অনুরোধ আপনি খালেদার জিয়ার মুক্তির পদক্ষেপ নিন।’

ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, ‘উনার অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক। উনার ডায়াবেটিস খালি পেটেও ১১ থেকে ১২ এর নিচে নামছে না। উনি মাত্র দুই বেলা খেতে পারেন। তাও সামান্য। তার শারিরীক অবস্থা এতোটাই নাজুক যে উনি হাত নাড়তে পারছেন না। কোনও সাহায্য ছাড়া নিজে চলতে পারছেন না। এছাড়া উনার এখানে সেরকম কোন চিকিৎসাও হচ্ছে না। বিশেষায়িত হাসপাতালে উনার চিকিৎসা প্রয়োজন। উনার শারিরীক অবস্থা এবং বয়সের অবস্থা আমরা যেটা দেখলাম সেটা সত্যিই দুঃখজনক।

fb-share-icon35
fb-share-icon20

Enjoy this blog? Please spread the word :)