শুক্রবার | ১৪ই আগস্ট, ২০২০ ইং |

এন্ড্রু কিশোর আর নেই

ডেস্ক রিপোর্ট:
ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে অবশেষে হেরে গেলেন অসংখ্য জনপ্রিয় রোমান্টিক গানের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী এন্ড্রু কিশোর। সোমবার (৬ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টা ১৩ মিনিটের দিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই সংঙ্গীত কিংবদন্তি।

রাজশাহী মহানগরীর মহিষবাথান এলাকায় তার বোন ডা. শিখা বিশ্বাসের বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ৮ বারের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কারপ্রাপ্ত এই বরেন্য শিল্পী। এন্ড্রু ‘প্লেব্যাক সম্রাট’ নামে পরিচিত।

অসুস্থ অবস্থায় গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্যে দেশ ছেড়েছিলেন এই নন্দিত গায়ক। সেখানে গিয়ে গত ১৮ সেপ্টেম্বর তার শরীরে ক্যানসার ধরা পড়ে।

সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক লিম সুন থাইয়ের অধীনে ছিলেন তিনি। গত ১১ জুন একটি বিশেষ ফ্লাইটে সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফেরেন অ্যান্ড্রু কিশোর। এরপর তিনি রাজশাহীতে বসবাস করছিলেন।

শিল্পীর দুলাভাই ক্যানসার বিশেষজ্ঞ ডা. প্যাট্রিক বিপুল বিশ্বাসের তত্ত্বাবধানে ছিলেন তিনি। যদিও সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফেরার আগেই সেখানকার চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এক মাস থেকে সর্বোচ্চ এক বছর বাঁচবেন এই শিল্পী। মূলত এমন তথ্য পেয়েই দেশে ফিরে এন্ড্রু কিশোর নিজ সিদ্ধান্তে চলে যান জন্মশহর রাজশাহীতে।

এন্ড্রু কিশোরের চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক যাত্রা শুরু হয় ১৯৭৭ সালে আলম খানের সুরে ‘মেইল ট্রেন’ চলচ্চিত্রে। সেখানে তিনি ‘অচিনপুরের রাজকুমারী নেই যে তাঁর কেউ’ গানে কণ্ঠ দেন। তার রেকর্ডকৃত দ্বিতীয় গান বাদল রহমান পরিচালিত ‘এমিলের গোয়েন্দা বাহিনী’ চলচ্চিত্রের ‘ধুম ধাড়াক্কা’। তবে এ জে মিন্টু পরিচালিত ১৯৭৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘প্রতিজ্ঞা’ চলচ্চিত্রের ‘এক চোর যায় চলে’ গাওয়া গান প্রথম জনপ্রিয়তা লাভ করে।

সবচেয়ে জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে- জীবনের গল্প আছে বাকি অল্প, হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস, ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে, আমার সারা দেহ খেয়ো গো মাটি, আমার বুকের মধ্যেখানে, আমার বাবার মুখে প্রথম যেদিন শুনেছিলাম গান, ভেঙেছে পিঞ্জর মেলেছে ডানা, সবাই তো ভালোবাসা চায় প্রভৃতি।

fb-share-icon35
fb-share-icon20

Enjoy this blog? Please spread the word :)