1. shahinit.mail@gmail.com : dhaka24 : ঢাকা টোয়েন্টিফোর
  2. arifturag@gmail.com : ঢাকা টোয়েন্টিফোর : ঢাকা টোয়েন্টিফোর
  3. sasujan83@gmail.com : ঢাকা টোয়েন্টিফোর : ঢাকা টোয়েন্টিফোর
  4. mdjihadcfm@gmail.com : ঢাকা টোয়েন্টিফোর : ঢাকা টোয়েন্টিফোর
January 26, 2022, 10:54 am

অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ এবার সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি পদ প্রার্থী

Reportar Name
  • Update Time | Monday, January 14, 2019,

রাসেল খান,
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ থেকে এবার সংরক্ষিত মহিলা আসনে এমপি হিসেবে পদ প্রত্যাশী সাবেক জেলা জজ রোকেয়া বেগম। জানা যায় বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক। ঢাকা ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উত্তরা পশ্চিম থানা মহিলা আওয়ামী লীগের সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট। সবচে বড় পরিচয় তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা।
জানা যায়, এর আগে নানা পেশা থেকে সংরক্ষিত আসন থেকে মহিলা এমপি হলেও অবসরপ্রাপ্ত কোন জজ নির্বাচনে আসেনি তিনি প্রথম প্রার্থী হচ্ছেন। একাদশ সংসদ নির্বাচনের পর এবার হাওয়া বইছে সংরক্ষিত মহিলা আসনে এমপি নির্বাচনের। মহিলা আসনের প্রার্থীদের নির্বাচিত করবেন জনগণের সরাসরি ভোটে হওয়া এমপিরা। নির্বাচনী প্রক্রিয়া শুরু হলেও যাছাই-বাছাই করে ভোট হবে ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ে। এরইমধ্যে অনেকেই আবেদনের প্রস্তুতিও নিচ্ছেন বলেও জানা যায়।
এ বিষয়ে সাবেক জেলা জজ রোকেয়া বেগম বলেন, আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক। আওয়ামী লীগের সঙ্গে আছি আজীবন। এখন আমি সংরক্ষিত মহিলা আসনে এমপি হতে আবেদন করবো। দল যদি আমাকে যোগ্য মনে করে, তাহলে নির্বাচন করবো। না করলেও আমি দলের যেকোনো আদেশ-নির্দেশ মেনে চলবো।

তিনি বলেন, সংরক্ষিত আসনের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করছি। আশা করি, দল আমাকে সুবিবেচনায় রাখবে। তাছাড়া প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা নিশ্চই আমার কর্মকাণ্ডে অবগত আছেন। তিনি আমাকে মূল্যায়ন করবেন। জেলা জর্জ হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় বিএনপি জামায়াতের হাতে বহুবার নির্যাতিত হয়েছেন বলে জানান তিনি।

জানা যায়, পারিবারিক ভাবেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শে পরিবারের সদস্য রোকেয়া বেগম। পরিবারের সবাই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি জড়িত। সেই দিক থেকে তার প্রত্যাশা, বঙ্গবন্ধুকন্যা আমার পারিবারিক, দলের প্রতি ভালোবাসা এবং বর্তমান ও অতীত জীবনের রাজনৈতিক কার্যক্রম বিবেচনা করে আমাকে সংরক্ষিত মহিলা আসনে এমপি হিসেবে নির্বাচন করার সুযোগ দেবেন।

খোজ নিয়ে জানা যায়, শিক্ষাজীবন প্রাথমিক শিক্ষাজীবন শুরু হয় পটুয়াখালী জেলার বাউফলে গ্রামে পরে ঢাকা সিদ্ধেশ্বরী গার্লস স্কুলে নবম শ্রেণীকরণ ভর্তি হন এবং ১৯৭০ সালে ম্যাট্রিক পাশ করেন। ১৯৭২ সালে ইডেন গার্লস কলেজ থেকে এইচ. এস. সি পাশ করেন তিনি। তারপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এল. এল. বি ( অনার্স ) এ ভর্তি হয়ে ১৯৭৮ সালে ল’ পাশ করেন এবং আইন পেশায় নিয়োজিত হন। ১৯৮৪ সালে বিচার বিভাগে মুনসেফ হিসেবে যোগদান করে ২০১৫ সালে জেলাজজ হিসেবে অবসর গ্রহণ করি।

ছাত্রজীবন থেকে রাজনীতিতে কিভাবে আসেন তিনি যবাবে তিনি বলেন, পরিবারের সকলেই রাজনীতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন। ছোট থেকেই বাবা আমাদের ভাইবোনদের একসাথে বসিয়ে বঙ্গবন্ধুর আন্দোলনের কথা গল্পাকারে শোনাতেন। ইডেন মহিলা কলেজে পড়ার সময় রাজনীতির সাথে যুক্ত হওয়ার সুযোগ আসে, তখন আমি ছাত্রলীগে যোগদান করি। বাঙালীজাতির গর্ব হল আওয়ামীলীগ। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ সব সময়ই আমাকে মুগ্ধ করেছে। আমার জীবদ্দশায় আমি যতখানি দেখেছি, বুঝেছি, শুনেছি, আওয়ামীলীগ ছাড়া অন্য কোন দল সমর্থন করার প্রশ্নই আসেনা। রাজনৈতিক জীবনে অংশগ্রহণে পরিবারই সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরনা ছিল তার। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ করেই আমরা বড় হয়েছি। স্বামী ডা: এস. এম. ওয়ালীউল্লাহ ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন, তিনি তৎকালীন সময়ে শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। বাবা বৃটিশ আমলে জুড়িবোর্ডের সদস্য ছিলেন। বড় ভাই মরহুম বজলুর রহমান ( মুক্তিযাদ্ধা ) বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং বঙ্গবন্ধুর একান্ত অনুগত ও পার্সোনাল সিভিল বডিগার্ড , জননেত্রীর শেখ হাসিনার পলিটিক্যাল লিয়াজো অফিসার। এছাড়া আমার ছেলে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সাবেক সহ সম্পাদক।

fb-share-icon35
56

More news
© All rights reserved &copy | 2016 dhaka24.net
Theme Customized BY WooHostBD