1. shahinit.mail@gmail.com : dhaka24 : ঢাকা টোয়েন্টিফোর
  2. arifturag@gmail.com : ঢাকা টোয়েন্টিফোর : ঢাকা টোয়েন্টিফোর
  3. sasujan83@gmail.com : ঢাকা টোয়েন্টিফোর : ঢাকা টোয়েন্টিফোর
  4. mdjihadcfm@gmail.com : ঢাকা টোয়েন্টিফোর : ঢাকা টোয়েন্টিফোর
January 26, 2022, 11:02 am

​‘হঠাৎ গুলির শব্দ এরপর দরজায় ধাক্কা, ভয়ে আঁতকে উঠি’

Reportar Name
  • Update Time | Monday, April 29, 2019,

ডেস্ক রিপোর্ট | সোমবার, ২৯ এপ্রিল ২০১৯:
রাত তখন সাড়ে ৩টা। হঠাৎ গুলির শব্দ, এরপর ঘুম ভেঙে যায়। এর ঠিক কিছু সময় পর প্রায় তিনটা বিকট শব্দে ঘর কেঁপে উঠলাম। প্রায় ২০ মিনিট ধরে গোলাগুলি চলছিল। আতঙ্কে খাটের ওপর বসে রইলাম। কি করবো বুঝতেছিলাম না।। হঠাৎ দরজায় ধাক্কা। ভয়ে ভয়ে দরজা খুলে দেখি র‍্যাবের অনেক লোকজন। তাদের দেখে আমি ভয় পেয়ে যায়। তারা এসে আমাদের বলল, পাশের বাড়িতে জঙ্গিদের সঙ্গে র‍্যাবের গোলাগুলি হচ্ছে। এখনই বেরিয়ে আসুন।

সোমবার (২৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সাংবাদিকদের এভাবে রাতভর আতঙ্কে কাটানো মুহূর্তের বর্ণনা দিচ্ছিলেন জঙ্গি আস্তানার পাশের বাড়ির মো. হারুন-ওর-রশিদ।

রবিবার (২৮ এপ্রিল) দিবাগত রাত ৩টার দিকে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বসিলার মেট্রো হাউজিং এলাকার একটি বাড়িতে নাশকতার পরিকল্পনায় কয়েকজন জঙ্গি অবস্থান করছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযানে যায় র‍্যাব-২ এর একটি আভিযানিক দল।

অভিযানে র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে বাড়ির ভেতর থেকে জঙ্গিরা র‍্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়লে র‍্যাব ও পাল্টা গুলি ছোঁড়ে। গুলির পাশাপাশি বোমা বিস্ফোরণের শব্দও ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে পুরো এলাকায়। অভিযানের পাশাপাশি র‌্যাবের সদস্যরা রাতভর আশপাশের বাড়ির আতঙ্কিত বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়।

তাদের একজন হলেন হারুনুর রশিদ। তিনি বলেন, ‘আতঙ্কে যখন কোনো কিছু বুঝতেছিলাম না, তখন র‍্যাবের সদস্যদেরকে দেখে একটু ভরসা পায়। উনারা বললেন এ বাড়ির পাশেই র‍্যাবের সঙ্গে গোলাগুলি হচ্ছে। আপনারা এখানে নিরাপদ নয়, দ্রুত আমাদের সঙ্গে আসুন। পরে উনাদের সঙ্গে বেরিয়ে নিরাপদে চলে আসি।’

তিনি আরও বলেন, ‘সাড়ে ৩টার দিকে ২০ মিনিটের গোলাগুলি আর ৩টা বিকট শব্দে বোমা বিস্ফোরণের পর আর কোনো শব্দ পায়নি। এরপর ভোর ৫টার দিকে আবারও বিকট শব্দে একটা বিস্ফোরণের শব্দ পায়। এটা সবচেয়ে বেশি শব্দের ছিল। আর কোনো শব্দ পায়নি এখন পর্যন্ত।’

জঙ্গিদের সম্পর্কে স্থানীয় বাসিন্দা হিসেবে তিনি বলেন, ‘ওই বাড়িটা একটা টিনশেডের একতলা বাড়ি। ওখানে তিনটা পরিবার ভাড়া থাকতো। মাস খানেক হল দুইটা পরিবার চলে গেছে। পরে শুধু কেয়ারটেকার আর তার পরিবার থাকে। গত সপ্তাহখানেক আগে ওই বাড়ির একটা অংশ মসজিদ বানানো হয়েছে। মসজিদের জন্য নতুন একজন ইমাম নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তাকে আমরা চিনি না। বাড়িটির মালিককে আমরা মুখ চেনা চিনি। তেমন চিনি না। বাড়ির মালিকের নাম আব্দুল ওহাব। তিনি থাকেন কোথায় তা জানি না। তবে কেয়ারটেকার সোহাগ এখানে ডিসের লাইনেও কাজ করে।

fb-share-icon35
56

More news
© All rights reserved &copy | 2016 dhaka24.net
Theme Customized BY WooHostBD