খুলনার ডুমুরিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় জাহিদ খান (২৪) নামের এক কলেজছাত্র নিহত হয়েছেন। একইদিনে মাদারীপুর জেলার শিবচরে সড়ক দুর্ঘটনায় খাদিজা (৫০) ও মেহেদী (১৫) নামের দুইজন নিহত হয়েছেন। এ সময় গুরুতর আহত হয়েছেন ৫ জন।
শুক্রবার (২২ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে খুলনা-সাতক্ষীরা আঞ্চলিক মহাসড়কের বালিয়াখালি ব্রীজের নিকটে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত জাহিদ ডুমুরিয়া উপজেলার বানাই গ্রামের জাকির খানের ছেলে ও ডুমুরিয়া কলেজের স্নাত্মক পড়ুয়া শিক্ষার্থী।
পুলিশ জানায়, সকালে খুলনা থেকে সাতক্ষীরার দিকে একটি যাত্রীবাহী বাস যাচ্ছিল। বালিয়াখালি ব্রীজের নিকটবর্তী মোড়ে একটি দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের সঙ্গে বাসটির সংঘর্ষ হয়। মোটরসাইকেলটি খর্নিয়া থেকে ডুমুরিয়ার দিকে যাচ্ছিল। মুখোমুখি সংঘর্ষের ফলে মোটরসাইকেল আরহী জাহিদ খান ঘটনাস্থলে মারা যান। এ সময়ে মোটরসাইকেলটি চুর্ণবিচুর্ণ হয়ে যায়। আর বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে আটকে যায়। এতে বাসের কয়েকজন যাত্রী সামান্য আঘাত পেয়েছেন। খবর পেয়ে ডুমুরিয়া ফায়ার সার্ভিস, খর্নিয়া হাইওয়ে থানা ও ডুমুরিয়া থানার সদস্যরা সেখানে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করে।
ডুমুরিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) এমদাদ হোসেন বলেন, এ ঘটনায় নিহতের মরদেহ ও বাসটি খর্নিয়া হাইওয়ে থানার হেফাজতে আছে। তবে চালক পালিয়েছেন।
এদিকে মাদারীপুরে শুক্রবার (২২ জানুয়ারি ) দুপুর সোয়া বারটার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের শিবচর উপজেলার এক্সপ্রেসওয়ের কুতুবপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নিহত খাদিজা বেগম বরিশাল জেলার উজিরপুর থানার পূর্ব বামুড়া গ্রামের আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী ও মেহেদী একই এলাকার জালাল মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত খাদিজা তার কয়েকজন আত্মীয় নিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য সকালে বরিশাল থেকে একটি এম্বুলেন্সে ঢাকার উদ্দেশ্য রওনা হন। এ সময় এম্বুলেন্সটি শিবচরের কুতুবপুর এলাকায় পৌছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে পড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই ২ জন নিহত হন। তবে আহত সকলেই খাদিজা বেগমের নিকট আত্মীয়-স্বজন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
শিবচর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহরাব আহমেদ মজুমদার ঘটনার সততা নিশ্চিত করে বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।