1. shahinit.mail@gmail.com : dhaka24 : ঢাকা টোয়েন্টিফোর
  2. arifturag@gmail.com : ঢাকা টোয়েন্টিফোর : ঢাকা টোয়েন্টিফোর
  3. sasujan83@gmail.com : ঢাকা টোয়েন্টিফোর : ঢাকা টোয়েন্টিফোর
  4. mdjihadcfm@gmail.com : ঢাকা টোয়েন্টিফোর : ঢাকা টোয়েন্টিফোর
সবার মতামত নিয়ে গ্রহণযোগ্য ইসি গঠনের আশা রাষ্ট্রপতির - Dhaka 24 | Most Popular Bangla News | Breaking News | Sports
May 21, 2022, 8:37 am

সবার মতামত নিয়ে গ্রহণযোগ্য ইসি গঠনের আশা রাষ্ট্রপতির

Reportar Name
  • Update Time | Monday, December 20, 2021,

রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সবার মতামত নিয়ে গ্রহণযোগ্য একটি ইসি গঠনের আশা প্রকাশ করেছেন।

কে এম নূরুল হুদা নেতৃত্বাধীন বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ আগামী ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝিতে শেষ হতে চলায় নতুন ইসি গঠনে সোমবারই রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করেন রাষ্ট্রপ্রধান।

বঙ্গভবনে প্রথম দিনে জাতীয় পার্টির সঙ্গে মো. আবদুল হামিদের আলোচনার পর রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন সাংবাদিকদের বলেন, “রাষ্ট্রপতি বলেছেন, নির্বাচন কমিশন নির্বাচনী প্রক্রিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ ফেব্রুয়ারি মাসেই শেষ হবে। তার পূর্বেই একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন গঠনের লক্ষ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনার এই উদ্যোগ।

“রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত ও পরামর্শের ভিত্তিতে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন গঠন সম্ভব হবে এবং নতুন নির্বাচন কমিশন জাতীয় নির্বাচনসহ সকল নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পাদন করতে সক্ষম হবে।”

রাষ্ট্রপতি এই প্রক্রিয়া সফল করতে সব রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজের সহযোগিতা কামনা করেন।

এবার যে ইসি গঠন হবে, তাদের ব্যবস্থাপনায়ই আগামী সংসদ নির্বাচন হবে। নূরুল হুদা নেতৃত্বাধীন বর্তমান ইসিকে তাদের মেয়াদের প্রায় পুরোটা সময়ই আস্থার সঙ্কটে ভুগতে হয়েছে।

নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে দেশে রাজনৈতিক অঙ্গনে মতভেদ এখনও কাটেনি। নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি জানিয়ে আসা বিএনপি ইসি গঠনের সংলাপেও না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের এখতিয়ার রাষ্ট্রপতির হলেও একটি আইনের অধীনে তা হওয়ার উল্লেখ রয়েছে সংবিধানে।

সাংবিধানিক সংস্থা ইসির সদস্য নিয়োগের সেই আইনটি স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরেও না হওয়ায় প্রতিবারই ইসি গঠন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক তৈরি হয়।

মো. জিল্লুর রহমান রাষ্ট্রপতি থাকাকালে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সার্চ কমিটি গঠনের মাধ্যমে ইসি নিয়োগ দেওয়ার পর আবদুল হামিদও সেই প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আসছেন।

এই প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে একটি সার্চ কমিটি গঠন করেন রাষ্ট্রপতি। সার্চ কমিটির সদস্যরা নতুন নির্বাচন কমিশনারদের নাম প্রস্তাব করেন। তাদের মধ্য থেকে বেছে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি।

পরপর দুবার সার্চ কমিটির মাধ্যমে ইসি গঠনের ব্যবস্থা হলেও বিতর্ক থামেনি।

নির্বাচন কমিশন গঠনের লক্ষ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরুর প্রথম দিন সোমবার দলের নেতাদের সঙ্গে নিয়ে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের।

আইন প্রণয়নসহ ৩ দাবি জাপার

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আলোচনায় ইসি গঠনে আইন প্রণয়নের পাশাপাশি তিনটি দাবি জানিয়েছে সংসদে প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টি।

প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীন বলেন, “জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠনে তাদের প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। তারা সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আইন প্রণয়নের প্রস্তাব করেন এবং সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাহী বিভাগ কর্তৃক নির্বাচন কমিশনের সার্বিক কার্যক্রমে সহযোগিতা নিশ্চিত করতে আরেকটি আইন প্রণয়নের প্রস্তাব করেন।

“তারা আরও বলেন, যদি এই সময়ের মধ্যে আইন প্রণয়ন সম্ভব না হয়, তাহলে অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে এটি করা যেতে পারে।”

আইন প্রণয়ন কিংবা অধ্যাদেশ জারি সম্ভব না হলে ‘সবার কাছে গ্রহণযোগ্য’ একটি সার্চ কমিটির মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন গঠনের প্রস্তাব করেছে জাতীয় পার্টি।

সংলাপ শেষে বঙ্গভবন থেকে বেরিয়ে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের সাংবাদিকদের বলেন, “আমাদের সাথে রাষ্ট্রপতির অত্যন্ত আন্তরিক পরিবেশে আলাপ হয়েছে। আমরা নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন প্রণয়নসহ তিনটি প্রস্তাব দিয়েছি। উনি প্রস্তাবগুলো মোটামোটি বিবেচনা করার আশ্বাস দিয়েছেন।”

তার ভাষ্যে প্রস্তাব তিনটি হচ্ছে- ১. নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন প্রণয়ন, ২. সার্চ কমিটির মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন গঠন, ৩. রাষ্ট্রপতি নিজে যোগ্য ও নিরপেক্ষ ব্যক্তিত্ব বের করে নির্বাচন কমিশন গঠন করবেন।

কাদের বলেন, “আমরা দ্বিতীয় যে প্রস্তাবটি দিয়েছি যদি কোনো কারণে আইন প্রণয়ন করতে না পারেন তাহলে যেটা সব সময় করা হয় সার্চ কমিটি গঠন, সেটাও আপনারা করতে পারেন।”

সার্চ কমিটির সদস্য হিসেবে কয়েকজনের নামের প্রস্তাব দিয়েছেন জানিয়ে তিনি বলেন, “সার্চ কমিটির গঠনের জন্য কিছু যোগ্য এবং নিরপেক্ষ ব্যক্তি লাগে বলে আমরা মনে করি। সেজন্য উনাকে (রাষ্ট্রপতি) ৪ থেকে ৫ জনের একটি তালিকা দিয়েছি। যেটা আমরা এখানে প্রকাশ করব না।”

রাষ্ট্রপতি যেভাবে নির্বাচন কমিশন গঠন করবেন, তাতে জাতীয় পার্টি নির্বাচনে যাবে কি না- প্রশ্ন করা হলে কাদের বলেন, “এখন পর্যন্ত নির্বাচনে যাব না, এরকম কোনো সিদ্ধান্ত আমরা নিইনি।”

বিকাল ৪টায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে বসে জাতীয় পার্টির ৮ সদস্যের প্রতিনিধি দল। বিকাল সাড়ে ৫টায় তা শেষ হয়।

জাতীয় পার্টির প্রতিনিধি দলে ছিলেন- মুজিবুল হক চুন্নু, আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, রুহুল আমিন হাওলাদার, কাজী ফিরোজ রশীদ, সালমা ইসলাম, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা ও মশিউর রহমান রাঙ্গাঁ।

মহামারীর এই সময়ে তাদের সবাইকে কোভিড পরীক্ষা করিয়ে নেগেটিভ সনদ নিয়ে তবেই বঙ্গভবনে যেতে হয়েছে।

More news
© All rights reserved &copy | 2016 dhaka24.net
Theme Customized BY WooHostBD