August 31, 2025, 8:29 am

মাধবদীতে কিশোরীকে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৫

Reporter Name 133 View
Update : Monday, October 14, 2019

আব্দুল কুদ্দুস | সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯:
নরসিংদীর মাধবদী থেকে এক কিশোরীকে অপহরণ করে গণধর্ষণ ও দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ চাওয়ার অভিযোগে ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গতকাল রবিবার (১৩ অক্টোবর) অপহরণকারী দলের মূল হোতাসহ ৫ জনকে সাভারের আশুলিয়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়ে বলে জানান উপ-পরিদর্শত শিবলী মীর কায়েস।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানার দেবাই গ্রামের বিল্লাল হোসেন এর ছেলে সুজন (২৭), একই থানার সাতগ্রামের মধু মিয়ার ছেলে রুবেল (২৬), ময়মনসিংহ সদর থানার রহমতপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে মো: ফয়সাল মিয়া (২০), লালমনিরহাট সদরের চরকুলাঘাপ গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে আছাদুল ইসলাম ও মানিকগঞ্জের হরিরামপুরের চালা গ্রামের নিশাত মোল্লার ছেলে শাকিল মোল্লা।

পুলিশ ও ভুক্তভোগী কিশোরীর পরিবার জানায়, গত ৫ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ওই কিশোরীকে মাধবদীর দরগাবাড়ি এলাকার সড়ক থেকে মাইক্রোবাসযোগে অপহরণ করে অজ্ঞাত অপহরণকারী চক্র। চারদিন পর ৯ অক্টোবর মেয়েটির বাবার মোবাইলে ফোন করে দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীরা। অন্যথায় মেয়েকে মেরে ফেলার হুমকি দেয় তারা।

মেয়েকে উদ্ধারে ব্যর্থ হয়ে গত ১২ অক্টোবর ওই কিশোরীর পিতা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মাধবদী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা করার পর মুক্তিপণ দাবী করা মোবাইল নাম্বার ট্র্যাকিং শুরু করে পুলিশ। রুবেল নামে অপহরণকারী চক্রের এক সদস্য মুক্তিপণের টাকা নিতে আশুলিয়ার নরসিংহপুর এসে পুলিশের হাতে আটক হয়। পরে আটক রুবেলের দেওয়া তথ্যমতে সাভারের গোমাইল উত্তর পাড়ার একটি বাড়ি থেকে অপহৃত কিশোরীকে উদ্ধার করে পুলিশ।

এসময় অপহরণে সহায়তাকারী ফয়সাল, শাকিল ও আছাদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হলেও অপহরণকারী দলের মূলহোতা সুজন পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে মোবাইল ট্র্যাকিং করে নারায়ণগঞ্জের গাউছিয়া থেকে সুজনকেও গ্রেফতার করা হয়।

মাধবদী থানার ওসি আবু তাহের দেওয়ান বলেন, কিশোরীকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের রিমান্ড চেয়ে রবিবার সন্ধ্যায় নরসিংদীর দ্রুত বিচার আদালতে পাঠানো হলে বিজ্ঞ আদালত আসামীদের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।


More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর