সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
সোমবার ই-বেইল বন্ড চালু করবেন প্রধানমন্ত্রী সরকার জনগণের সঙ্গে মিথ্যাচার করছে: রুমিন ফারহানা ‘ফুয়েল পাস’ নিয়ে নতুন বার্তা দিলেন জ্বালানিমন্ত্রী ভাড়া বাড়াতে বৈঠকে বিআরটিএ ও পরিবহন মালিকরা পার্বত্য চট্টগ্রামকে পিছনে ফেলে বাংলাদেশের উন্নয়ন হবে না: পার্বত্যমন্ত্রী পহেলা বৈশাখে ১০ জেলায় কৃষক কার্ড উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী সংসদ থেকে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, কারণ জানালেন শফিকুর রহমান দেশে পর্যাপ্ত তেলের মজুত রয়েছে, বিভ্রান্তিকর তথ্যে কান না দেওয়ার আহ্বান সরকারের রাজধানীতে ঈদের জামাতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা থাকবে: ডিএমপি নীলসাগর এক্সপ্রেসের ৮ বগি লাইনচ্যুত, ঢাকা-উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ

দীর্ঘ ৫ ঘণ্টা রেলস্টেশনে পড়ে ছিল মরদেহ, পুলিশ-রেলওয়ের উদাসীনতা

ডেস্ক রিপোর্ট | ঢাকা টোয়েন্টিফোর- / ১২ পাঠক
প্রকাশকাল রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

কিশোরগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেনে কাটা এক অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের মধ্যে দায়িত্ব নিয়ে উদাসীনতার ঘটনা ঘটেছে।

রবিবার (১৯ এপ্রিল) দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত মরদেহটি স্টেশনে পড়ে থাকায় যাত্রী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ভীতি ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

জানা গেছে, শনিবার রাতে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার দাপুনহাটি এলাকায় ট্রেনে কাটা অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। জরুরি সেবার মাধ্যমে খবর পেয়ে মরদেহটি সকাল ১১টার দিকে উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনে নিয়ে আসে পুলিশ। তবে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় মেমো না পাওয়ায় কর্তব্যরতরা

মরদেহটি স্টেশন মাস্টারের কক্ষের সামনে রেখে দেয়।এতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা মরদেহটি প্ল্যাটফর্মে পড়ে থাকায় যাত্রী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুর্ঘটনার পর মরদেহটি স্টেশনে আনা হলেও তা সরানোর বিষয়ে কোনো পক্ষই দায়িত্ব নিতে এগিয়ে আসেনি। ফলে দীর্ঘ সময় মরদেহটি সেখানেই পড়ে ছিল।

ভৈরব উপজেলার যাত্রী মামুন হোসেন বলেন, দীর্ঘ এক ঘণ্টা ধরে স্টেশনে অবস্থান করছি। আসার পর থেকেই দেখছি মরদেহটি স্টেশন মাস্টারের কক্ষের সামনে পড়ে আছে। নির্ধারিত স্থানে না রেখে এখানে রাখায় অনেকেই ভয়ে সেখানে যেতে পারছেন না। কেউ কেউ আবার ফিরে যাচ্ছেন।

স্টেশনের অন্য এক যাত্রী বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে স্টেশনে অপেক্ষা করছি। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছি। সবচেয়ে বেশি ভয় পাচ্ছে শিশুরা। এছাড়াও স্টেশনে পুলিশ ও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের মধ্যে তর্ক চলছে। পরে রেলওয়ে পুলিশ স্টেশন মাস্টারের কক্ষের সামনে মরদেহ রেখে চলে যায়।

কিশোরগঞ্জ রেলওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ আমাদের প্রয়োজনীয় ম্যামো দেয়নি। এ কারণে মরদেহ হস্তান্তর ও পরবর্তী কার্যক্রমে জটিলতা তৈরি হয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, জরুরি সেবার মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হলেও এ ক্ষেত্রে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ কোনো সহযোগিতা করেনি।

অন্যদিকে কিশোরগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার মো. খলিলুর রহমান বলেন, আমাদের অবগত না করেই মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ কোনো সমন্বয় করেনি, বরং খারাপ আচরণ করে মরদেহটি আমার কক্ষের সামনে রেখে চলে গেছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, নিয়ম অনুযায়ী ট্রেনে কাটা কোনো ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে আগে ম্যামো প্রদান করার কথা, এরপর প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়ায় পুলিশকে জানানো হয়।


এই ক্যাটাগরির আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর