রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
দেশে পর্যাপ্ত তেলের মজুত রয়েছে, বিভ্রান্তিকর তথ্যে কান না দেওয়ার আহ্বান সরকারের রাজধানীতে ঈদের জামাতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা থাকবে: ডিএমপি নীলসাগর এক্সপ্রেসের ৮ বগি লাইনচ্যুত, ঢাকা-উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বর্তমান সরকারের প্রথম মাসে সীমান্ত হত্যা শূন্য ঈদের নতুন পোশাক নিয়ে ফিরছিলেন বাড়ি, পথেই নিথর তিনজন ১১ বছর পর পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ ২৯ মার্চ পর্যন্ত সংসদ অধিবেশন মুলতবি ঘোষণা ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের বিষয় বিবেচনায় রয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী সংসদকে জাতীয় সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দু করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী বাগেরহাটে বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষ, নিহত ৯

দোকানপাট, শপিংমল, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের বাইরের আলোকসজ্জা বন্ধের নির্দেশ

ডেস্ক রিপোর্ট | ঢাকা টোয়েন্টিফোর- / ৭৮ পাঠক
প্রকাশকাল রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬

ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় ও জ্বালানি সাশ্রয়ে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে সরকার। ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় ও জ্বালানি সাশ্রয়ে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে সরকার। এর অংশ হিসেবে রবিবার রাত থেকে সারাদেশে সব ধরনের দোকানপাট, শপিংমল ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের বাইরের আলোকসজ্জা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আনিন্দ্য ইসলাম অমিতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে এক সংবাদবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী নেতারাও এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে জানানো হয়, জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুতের চাপ কমাতে এবং জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করতে কয়েকটি জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

বৈঠকের সিদ্ধান্তগুলো হলো

আলোকসজ্জা বন্ধ: শপিংমল, দোকানপাট ও যেকোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের বাইরের সব ধরনের আলোকসজ্জা সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রাখতে হবে।

এসি ব্যবহারে সংযম: ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের (এসি) তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার উপরে নির্ধারণ করতে হবে।

সাইনবোর্ডের আলো: দোকান বন্ধ হওয়ার সাথে সাথেই বাধ্যতামূলকভাবে সাইনবোর্ডের আলো নিভিয়ে ফেলতে হবে।

সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন বৈঠকে উপস্থিত ব্যবসায়ী নেতারা। বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশন (এফবিসিসিআই), ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) এবং বিভিন্ন দোকান মালিক সমিতির প্রতিনিধিরা জানান, জাতীয় স্বার্থে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের এই পদক্ষেপে তারা সরকারকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন।

বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিদ্যুতের দক্ষ ব্যবহার উৎসাহিত করা এবং জ্বালানির চাহিদা নিয়ন্ত্রণে রাখার বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুতের উপর চাপ কমানো সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


এই ক্যাটাগরির আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর