শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
সোমবার ই-বেইল বন্ড চালু করবেন প্রধানমন্ত্রী সরকার জনগণের সঙ্গে মিথ্যাচার করছে: রুমিন ফারহানা ‘ফুয়েল পাস’ নিয়ে নতুন বার্তা দিলেন জ্বালানিমন্ত্রী ভাড়া বাড়াতে বৈঠকে বিআরটিএ ও পরিবহন মালিকরা পার্বত্য চট্টগ্রামকে পিছনে ফেলে বাংলাদেশের উন্নয়ন হবে না: পার্বত্যমন্ত্রী পহেলা বৈশাখে ১০ জেলায় কৃষক কার্ড উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী সংসদ থেকে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, কারণ জানালেন শফিকুর রহমান দেশে পর্যাপ্ত তেলের মজুত রয়েছে, বিভ্রান্তিকর তথ্যে কান না দেওয়ার আহ্বান সরকারের রাজধানীতে ঈদের জামাতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা থাকবে: ডিএমপি নীলসাগর এক্সপ্রেসের ৮ বগি লাইনচ্যুত, ঢাকা-উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ

দোকানপাট, শপিংমল, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের বাইরের আলোকসজ্জা বন্ধের নির্দেশ

ডেস্ক রিপোর্ট | ঢাকা টোয়েন্টিফোর- / ১১১ পাঠক
প্রকাশকাল রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬

ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় ও জ্বালানি সাশ্রয়ে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে সরকার। ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় ও জ্বালানি সাশ্রয়ে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে সরকার। এর অংশ হিসেবে রবিবার রাত থেকে সারাদেশে সব ধরনের দোকানপাট, শপিংমল ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের বাইরের আলোকসজ্জা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আনিন্দ্য ইসলাম অমিতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে এক সংবাদবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী নেতারাও এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে জানানো হয়, জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুতের চাপ কমাতে এবং জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করতে কয়েকটি জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

বৈঠকের সিদ্ধান্তগুলো হলো

আলোকসজ্জা বন্ধ: শপিংমল, দোকানপাট ও যেকোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের বাইরের সব ধরনের আলোকসজ্জা সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রাখতে হবে।

এসি ব্যবহারে সংযম: ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের (এসি) তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার উপরে নির্ধারণ করতে হবে।

সাইনবোর্ডের আলো: দোকান বন্ধ হওয়ার সাথে সাথেই বাধ্যতামূলকভাবে সাইনবোর্ডের আলো নিভিয়ে ফেলতে হবে।

সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন বৈঠকে উপস্থিত ব্যবসায়ী নেতারা। বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশন (এফবিসিসিআই), ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) এবং বিভিন্ন দোকান মালিক সমিতির প্রতিনিধিরা জানান, জাতীয় স্বার্থে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের এই পদক্ষেপে তারা সরকারকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন।

বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিদ্যুতের দক্ষ ব্যবহার উৎসাহিত করা এবং জ্বালানির চাহিদা নিয়ন্ত্রণে রাখার বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুতের উপর চাপ কমানো সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


এই ক্যাটাগরির আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর