সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
টিআইবি প্রকৃত ঘটনা জাজ করে স্টেটমেন্ট দেয় না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্বাবলম্বী সমাজ গড়তে সবার অংশগ্রহণ চাইলেন প্রধানমন্ত্রী জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে বস্ত্র বিতরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী ঈদ আনন্দে পর্যটকে মুখর সোনারগাঁর বিনোদনকেন্দ্র শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হলো ট্রাম্পের ইরান বৈঠক রাজধানীতে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করলেন প্রধানমন্ত্রী ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় ৪ বাংলাদেশি আহত যুদ্ধ থামাতে বড় সমঝোতার পথে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান, ৩০০ বিলিয়ন ডলারের প্রস্তাব মার্কিন গণমাধ্যম ও ডেমোক্র্যাটরা পাগল হয়ে গেছে : ট্রাম্প

মোহাম্মদপুরে সুমন হত্যা মামলার প্রধান আসামি ‘পিচ্চি মুন্না’ গ্রেপ্তার

ডেস্ক রিপোর্ট | ঢাকা টোয়েন্টিফোর- / ২১৯ পাঠক
প্রকাশকাল বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই, ২০২৫

রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানার রায়েরবাজার এলাকায় চাঞ্চল্যকর মো. ফজলে রাব্বি সুমন হত্যা মামলার প্রধান আসামি মুন্না ওরফে পিচ্চি মুন্নাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর চকবাজারের ইসলামবাগ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) সকালে কারওয়ান বাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে এ সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

র‌্যাব জানায়, আসামি মুন্না ও হত্যাকাণ্ডের শিকার মামুন মোহাম্মদপুর পাবনা হাউস এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছিলেন। এরই সুবাদে আসামি পিচ্চি মুন্নার সঙ্গে ভিকটিমের পরিচয় হয়। এরপর মাদক বিক্রয়কে কেন্দ্র করে আসামির সঙ্গে বিরোধ দেখা দেয়।

র‌্যাব আরও জানায়, এরই জেরে ভুক্তভোগী মো. ফজলে রাব্বি সুমন আসামি মুন্নাকে পুলিশে ধরিয়ে দেয়। পরে আসামি জামিনে বের হয়ে আসে। ফোনকলের মাধ্যমে মামুনকে ডেকে নিয়ে ধারাল চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে মুন্না। পরে তাকে হাসপাতালে নিলে ডাক্তার মামুনকে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে রাজধানীর লালবাগে মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে সংক্ষিপ্ত বিচার আদালত পরিচালনা করে ১৪ ব্যক্তিকে সাজা প্রদান করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) লালবাগ বিভাগের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট। এই ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রমে সার্বিক সহায়তা প্রদান করে ডিএমপির লালবাগ বিভাগ।

ডিএমপির লালবাগ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গতকাল বুধবার লালবাগ বিভাগের বিভিন্ন থানা এলাকায় মাদক সেবন, মাদক বহন, ছিনতাইচেষ্টা এবং রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির মতো অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে ১২ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। এ ছাড়া, অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় দুজনকে খালাস দেওয়া হয়। এই রায় প্রদান করেন ডিএমপির স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান।

অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮, ডিএমপি অধ্যাদেশ ১৯৭৬ এবং সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮-এর বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়। ট্রাফিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সর্বদা প্রস্তুত।


এই ক্যাটাগরির আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর