মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
টিআইবি প্রকৃত ঘটনা জাজ করে স্টেটমেন্ট দেয় না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্বাবলম্বী সমাজ গড়তে সবার অংশগ্রহণ চাইলেন প্রধানমন্ত্রী জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে বস্ত্র বিতরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী ঈদ আনন্দে পর্যটকে মুখর সোনারগাঁর বিনোদনকেন্দ্র শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হলো ট্রাম্পের ইরান বৈঠক রাজধানীতে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করলেন প্রধানমন্ত্রী ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় ৪ বাংলাদেশি আহত যুদ্ধ থামাতে বড় সমঝোতার পথে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান, ৩০০ বিলিয়ন ডলারের প্রস্তাব মার্কিন গণমাধ্যম ও ডেমোক্র্যাটরা পাগল হয়ে গেছে : ট্রাম্প

টিআইবি প্রকৃত ঘটনা জাজ করে স্টেটমেন্ট দেয় না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট | ঢাকা টোয়েন্টিফোর- / ৬ পাঠক
প্রকাশকাল মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) প্রকাশিত সরকারের প্রথম ১০০ দিনের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিবিষয়ক প্রতিবেদনের বিষয়ে মন্তব্য করতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

তিনি বলেন, টিআইবির প্রতিবেদন মূলত সংবাদপত্রের কাটিংয়ের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়, কোনো তদন্তের মাধ্যমে নয়। টিআইবি প্রকৃত ঘটনা যাচাই-বাছাই করে বক্তব্য দেয় না।

সোমবার (৮ জুন) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে প্রশংসনীয় কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ পুলিশ সদস্যদের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন।

এর আগে গত রবিবার প্রকাশিত টিআইবির এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমান সরকারের প্রথম ১০০ দিনে দেশে ৬০৫টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে এবং ধর্ষণ ও সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ২০৯ জন নারী ও শিশু।

প্রতিবেদন সম্পর্কে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমার সামনে টিআইবির রিপোর্টটি নেই। আমরা মাসভিত্তিক অপরাধের পরিসংখ্যান সংরক্ষণ করি। ডাকাতি, হত্যা, খুন, ধর্ষণসহ বিভিন্ন অপরাধের তথ্য নিয়মিত সংগ্রহ করা হয়। সম্প্রতি আমি আরেকটি প্রতিবেদন দেখেছি, যেখানে ২০২৫ সালের তুলনায় বর্তমান সময়ে অপরাধের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে বলে দেখা গেছে।’

টিআইবির মূল্যায়নকে সরকার কতটা গুরুত্ব দিচ্ছে–এমন প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, ‘টিআইবি কোনো সরকারি সংস্থা নয়। তারা মূলত পত্রিকার কাটিংয়ের ভিত্তিতে রিপোর্ট তৈরি করে, কোনো তদন্ত করে না। টিআইবি প্রকৃত ঘটনা যাচাই-বাছাই করে বক্তব্য দেয় না। আমাদের কাছে পুলিশের সংগ্রহ করা তথ্য রয়েছে, যা জেলা পর্যায় থেকে সংগ্রহ করা হয়। এগুলোই প্রকৃত তথ্য।’

তিনি আরও বলেন, ‘সংবাদপত্রে অনেক খবর প্রকাশিত হয়। তবে প্রতিটি সংবাদ শতভাগ সঠিক, এমন বলা যাবে না। আমরা প্রকাশিত সংবাদগুলো পর্যালোচনা করি ও প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট বিভাগে তদন্তের জন্য পাঠাই। টিআইবির রিপোর্টও পত্রিকার কাটিংয়ের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। তাই এ বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না।’

পুলিশের তদন্ত ব্যয় প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে একজন তদন্ত কর্মকর্তা একটি মামলায় মাত্র ৬ হাজার টাকা পান, যা পর্যাপ্ত নয়। তিনি বলেন, ‘পুলিশের এ ধরনের আর্থিক সীমাবদ্ধতা রয়েছে। ভবিষ্যতে তদন্ত কার্যক্রম, পোস্টমর্টেম রিপোর্ট ও পুলিশি টহলের জন্য বরাদ্দ বাড়ানোর বিষয়ে আমরা চেষ্টা করব।’

পলাতক পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় তদন্ত ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। যেসব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে ও অনেক ক্ষেত্রে বিচারিক প্রক্রিয়াও চলমান।

পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘পুলিশ বাহিনীর মূল্যায়ন জনগণ ও গণমাধ্যমই করবে। আমরা পুলিশকে একটি জনবান্ধব বাহিনীতে রূপান্তরের চেষ্টা করছি। ভালো কাজের স্বীকৃতি ও অনিয়মের জন্য শাস্তি–এই নীতিতেই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।’


এই ক্যাটাগরির আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর