সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০১:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
টিআইবি প্রকৃত ঘটনা জাজ করে স্টেটমেন্ট দেয় না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্বাবলম্বী সমাজ গড়তে সবার অংশগ্রহণ চাইলেন প্রধানমন্ত্রী জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে বস্ত্র বিতরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী ঈদ আনন্দে পর্যটকে মুখর সোনারগাঁর বিনোদনকেন্দ্র শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হলো ট্রাম্পের ইরান বৈঠক রাজধানীতে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করলেন প্রধানমন্ত্রী ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় ৪ বাংলাদেশি আহত যুদ্ধ থামাতে বড় সমঝোতার পথে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান, ৩০০ বিলিয়ন ডলারের প্রস্তাব মার্কিন গণমাধ্যম ও ডেমোক্র্যাটরা পাগল হয়ে গেছে : ট্রাম্প

ইউরোপে বড় শাস্তির মুখে গুগল, রেকর্ড জরিমানার আভাস

ডেস্ক রিপোর্ট | ঢাকা টোয়েন্টিফোর- / ৭০ পাঠক
প্রকাশকাল বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬

ইউরোপীয় ইউনিয়নের ডিজিটাল বাজার আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে টেক জায়ান্ট গুগল-এর বিরুদ্ধে ইতিহাসের অন্যতম বড় জরিমানার প্রস্তুতি চলছে। জার্মান দৈনিক হ্যান্ডেলসব্লাটের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জরিমানার পরিমাণ কয়েকশ কোটি ইউরো ছাড়িয়ে যেতে পারে।

এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউরোপীয় কমিশন খুব শিগগিরই গুগল-এর বিরুদ্ধে বড় ধরনের জরিমানার ঘোষণা দিতে পারে। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লায়েন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী গ্রীষ্মকালীন বিরতির মধ্যেই এ সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে।

গুগলের মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেট-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে তারা ইউরোপের ডিজিটাল বাজার আইন যথাযথভাবে অনুসরণ করেনি। ইউরোপীয় ইউনিয়নের এই আইনটির মূল লক্ষ্য হলো বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর বাজারে একচেটিয়া প্রভাব কমানো এবং প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ নিশ্চিত করা।

ইউরোপীয় কমিশনের তদন্তে অভিযোগ করা হয়েছে, গুগল তাদের অনুসন্ধানসেবায় নিজেদের বিভিন্ন সেবাকে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানের তুলনায় বেশি অগ্রাধিকার দিয়েছে। এছাড়া অ্যাপ মার্কেটপ্লেস পরিচালনার ক্ষেত্রেও নির্মাতাদের বিকল্প প্ল্যাটফর্ম বা সেবার দিকে ব্যবহারকারীদের পাঠানোর সুযোগ সীমিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

ইউরোপীয় কমিশন ২০২৪ সালের মার্চ মাসে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করে। তদন্তের এক বছর পর প্রকাশিত প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়, গুগলের বর্তমান কার্যক্রম ডিজিটাল বাজার আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

কমিশনের কর্মকর্তা তেরেসা রিবেরা বলেন, তাদের প্রধান উদ্দেশ্য হলো প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আইন মেনে চলার সংস্কৃতি গড়ে তোলা। তিনি জানান, আলোচনার মাধ্যমে সমাধান সম্ভব হলে কমিশন সেটিকেই অগ্রাধিকার দেয়; তবে প্রয়োজন হলে কঠোর ব্যবস্থাও নেওয়া হয়।

তবে কমিশনের দাবি, এখন পর্যন্ত গুগল যে সমাধান বা পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে, তা সন্তোষজনক নয়। চলতি মাসে প্রতিষ্ঠানটিকে আরও কিছু সময় দেওয়া হলেও কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি দেখা যায়নি। ফলে শেষ পর্যন্ত জরিমানা আরোপ করা হলে সেটি ডিজিটাল বাজার আইনের আওতায় সবচেয়ে বড় শাস্তিগুলোর একটি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে গুগল বলছে, ইউরোপীয় কমিশনের নির্দেশনা অনুসরণ করে তাদের সেবায় যেসব পরিবর্তন আনা হয়েছে, তাতে ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এসব পরিবর্তনের ফলে ইউরোপের ব্যবহারকারীরা আগের মতো কার্যকর ও মানসম্মত সেবা পাচ্ছেন না।

এর আগেও ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভিন্ন প্রতিযোগিতা আইনসংক্রান্ত মামলায় গুগল একাধিকবার তদন্ত ও বড় অঙ্কের জরিমানার মুখে পড়েছে। বিশেষ করে অনুসন্ধানসেবা, অনলাইন বিজ্ঞাপন ব্যবসা, স্মার্টফোন–সংক্রান্ত নীতি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক সেবাগুলোকে কেন্দ্র করে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠে এসেছে।


এই ক্যাটাগরির আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর