বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
সোমবার ই-বেইল বন্ড চালু করবেন প্রধানমন্ত্রী সরকার জনগণের সঙ্গে মিথ্যাচার করছে: রুমিন ফারহানা ‘ফুয়েল পাস’ নিয়ে নতুন বার্তা দিলেন জ্বালানিমন্ত্রী ভাড়া বাড়াতে বৈঠকে বিআরটিএ ও পরিবহন মালিকরা পার্বত্য চট্টগ্রামকে পিছনে ফেলে বাংলাদেশের উন্নয়ন হবে না: পার্বত্যমন্ত্রী পহেলা বৈশাখে ১০ জেলায় কৃষক কার্ড উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী সংসদ থেকে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, কারণ জানালেন শফিকুর রহমান দেশে পর্যাপ্ত তেলের মজুত রয়েছে, বিভ্রান্তিকর তথ্যে কান না দেওয়ার আহ্বান সরকারের রাজধানীতে ঈদের জামাতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা থাকবে: ডিএমপি নীলসাগর এক্সপ্রেসের ৮ বগি লাইনচ্যুত, ঢাকা-উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ

রাষ্ট্রপতির ছবি অপসারণ নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে না: পরিবেশ উপদেষ্টা

ডেস্ক রিপোর্ট | ঢাকা টোয়েন্টিফোর- / ২৬৯ পাঠক
প্রকাশকাল রবিবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৫

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মৌখিক নির্দেশে বিদেশে বাংলাদেশের সব কূটনৈতিক মিশন, কনস্যুলেট, কূটনীতিকদের অফিস ও বাসভবন থেকে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ছবি সরানোর ঘটনা আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানে কোনো প্রভাব ফেলবে না বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

রবিবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, ‘আসল প্রেক্ষাপট কী জানি না। তবে নির্বাচনের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। সরকার লিখিতভাবে এমন কিছু জানালে বিষয়টি পরিষ্কার থাকতো। একটি ছবির সঙ্গে নির্বাচনের সম্পর্ক থাকতে পারে না।

সৈয়দা রিজওয়ানা বলেন, ‘ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে না এটি কোনো রাজনৈতিক দলের বক্তব্য। কিন্তু প্রধান উপদেষ্টার ঘোষিত সময় আগামী ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি বলেন, ‘সিলেটে পাথর লুটের ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসনের যোগসাজস ছিল অথবা প্রশাসন নীরব ছিল। এ ঘটনায় প্রশাসনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত হবে।’

এর আগে গত শুক্র ও শনিবার (১৬ আগস্ট) বিদেশে বাংলাদেশের সব কূটনৈতিক মিশন, কনস্যুলেট, কূটনীতিকদের অফিস ও বাসভবন থেকে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ছবি সরানোর নির্দেশনা দেয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। অন্যদিকে, সরকার এ ধরনের কোনো আনুষ্ঠানিক বা অনানুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে কি না, রাষ্ট্রপতির কার্যালয় এখনও বিষয়টি জানে না।

তবে, এক্ষেত্রে সব মিশনকে সরাসরি নির্দেশ না দিয়ে কয়েকজনকে নির্দেশ দেওয়া হয় এবং তাদেরকে অন্য মিশনের প্রধানদের জানিয়ে দেওয়ার জন্য বলা হয়।

অন্তর্বর্তী সরকারের এই নির্দেশনায় চ্যান্সারি কমপ্লেক্স, মিশন প্রধানের বাড়ি এবং মিটিংরুমে এখন আর কোনো রাষ্ট্র বা সরকারপ্রধানের ছবি থাকবে না।


এই ক্যাটাগরির আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর