শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
সোমবার ই-বেইল বন্ড চালু করবেন প্রধানমন্ত্রী সরকার জনগণের সঙ্গে মিথ্যাচার করছে: রুমিন ফারহানা ‘ফুয়েল পাস’ নিয়ে নতুন বার্তা দিলেন জ্বালানিমন্ত্রী ভাড়া বাড়াতে বৈঠকে বিআরটিএ ও পরিবহন মালিকরা পার্বত্য চট্টগ্রামকে পিছনে ফেলে বাংলাদেশের উন্নয়ন হবে না: পার্বত্যমন্ত্রী পহেলা বৈশাখে ১০ জেলায় কৃষক কার্ড উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী সংসদ থেকে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, কারণ জানালেন শফিকুর রহমান দেশে পর্যাপ্ত তেলের মজুত রয়েছে, বিভ্রান্তিকর তথ্যে কান না দেওয়ার আহ্বান সরকারের রাজধানীতে ঈদের জামাতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা থাকবে: ডিএমপি নীলসাগর এক্সপ্রেসের ৮ বগি লাইনচ্যুত, ঢাকা-উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ

শেখ হাসিনা ও কামালের মৃত্যুদণ্ড

ডেস্ক রিপোর্ট | ঢাকা টোয়েন্টিফোর- / ১৮০ পাঠক
প্রকাশকাল সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৫

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুনকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৭ নভেম্বর) বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এই রায় ঘোষণা করেন।

ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

রায় ঘোষণা আদালতকক্ষ থেকে সরাসরি সম্প্রচার করা হয় বিটিভি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুন দায় স্বীকার করে রাজসাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন। অন্যদিকে, শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান পলাতক এবং তারা বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন।

জুলাই হত্যাযজ্ঞের চারটি মামলায় শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড ও একটি মামলায় আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তাছাড়া, মানবতাবিরোধী অপরাধে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

এটিই জুলাই অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় প্রথম রায়।

সাড়ে ৩ মাসের আনুষ্ঠানিক বিচার শেষে হলো রায় ঘোষণা। এর আগে গত ২৩ অক্টোবর বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদার মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন। সবশেষ ১৩ নভেম্বর আদালত রায়ের জন্য ১৭ নভেম্বর তারিখ ঠিক করেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট অভ্যুত্থানে পতন হয় আওয়ামী লীগ সরকারের। ওইদিনই ভারতে চলে যান শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগের পতনের পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন করা হয়।

এদিকে রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে ট্রাইব্যুনাল এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। ট্রাইব্যুনালের সামনে পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও সেনা মোতায়েন করা হয়।

এদিন সকাল ৯টার পর মামলার রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুনকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করে পুলিশ। পরে দুপুর সাড়ে ১২টার পর ৪৫৩ পৃষ্ঠার রায় পড়া শুরু হয়।

মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, শেখ হাসিনা গণভবনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে উসকানিমূলক বক্তব্য দেন। পরে প্রাণঘাতী অস্ত্র, হেলিকপ্টার ও ড্রোন ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের দমন করার নির্দেশ দেন। রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদকে গুলি করে হত্যা, রাজধানীর চানখাঁরপুলে ছয় আন্দোলনকারীকে গুলি করে হত্যা এবং আশুলিয়ায় ছয়জনকে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগও আনা হয়েছে।


এই ক্যাটাগরির আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর