রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০৬:২৬ অপরাহ্ন

সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান না করায় জামায়াতের ক্ষোভ

ডেস্ক রিপোর্ট | ঢাকা টোয়েন্টিফোর- / ৭ পাঠক
প্রকাশকাল রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ৩০ দিন অতিবাহিত হলেও এখনো সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান না করায় জাতীয় সংসদে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

তিনি জানান, ১০ নম্বর অর্ডার অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অধিবেশন ডাকার বিধান থাকলেও তা মানা হয়নি।

রবিবার (১৫ মার্চ) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে তিনি সংবিধান সংস্কারের আইনি বাধ্যবাধকতা এবং বর্তমান স্থবিরতা তুলে ধরেন।

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘১০ নম্বর অর্ডারে পরিষ্কার বলা হয়েছে- সংসদ নির্বাচনের ফল ঘোষণার ৩০ পঞ্জিকা দিনের মধ্যে যে পদ্ধতিতে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করা হয়, একই পদ্ধতিতে সংবিধান সংস্কার পরিষদের প্রথম অধিবেশনও আহ্বান করতে হবে। আজ সেই ৩০তম দিন, কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর লিখিত পরামর্শ অনুযায়ী সংসদ আহ্বান করেন। আমরা ধরে নিচ্ছি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শেই হয়তো রাষ্ট্রপতি এটি আহ্বান করবেন, কিন্তু সময় পার হয়ে যাচ্ছে।’

জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের প্রসঙ্গ টেনে ড. শফিকুর রহমান বলেন, ‘দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ সংস্কারের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। আইন অনুযায়ী নবনির্বাচিত প্রতিনিধিরা একই সঙ্গে জাতীয় সংসদের সদস্য এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। বিধি অনুযায়ী শপথ গ্রহণের পর বিরোধীদলীয় ৭৭ জন সদস্য নির্ধারিত তফসিলে স্বাক্ষরও করেছেন। আমরা এই সুযোগটি কাজে লাগাতে চাই।’

তিনি আরও বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের প্রথম অধিবেশন শুরুর তারিখ থেকে ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের ফলাফল অনুযায়ী সংস্কার কাজ সম্পন্ন করতে হবে। এরপরই পরিষদের কার্যক্রম সমাপ্ত হবে।

এ বিষয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘আগে তো শুরু হতে হবে, তারপর সমাপ্তির প্রশ্ন। আমরা পৃথক ব্যালটে সংস্কারের জন্য ভোট নিয়েছি। এখন এই পরিষদ গঠন ও অধিবেশন আহ্বান করা আইনি বাধ্যবাধকতা।’


এই ক্যাটাগরির আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর