মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
পহেলা বৈশাখে ১০ জেলায় কৃষক কার্ড উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী সংসদ থেকে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, কারণ জানালেন শফিকুর রহমান দেশে পর্যাপ্ত তেলের মজুত রয়েছে, বিভ্রান্তিকর তথ্যে কান না দেওয়ার আহ্বান সরকারের রাজধানীতে ঈদের জামাতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা থাকবে: ডিএমপি নীলসাগর এক্সপ্রেসের ৮ বগি লাইনচ্যুত, ঢাকা-উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বর্তমান সরকারের প্রথম মাসে সীমান্ত হত্যা শূন্য ঈদের নতুন পোশাক নিয়ে ফিরছিলেন বাড়ি, পথেই নিথর তিনজন ১১ বছর পর পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ ২৯ মার্চ পর্যন্ত সংসদ অধিবেশন মুলতবি ঘোষণা ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের বিষয় বিবেচনায় রয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী

সাভারে ইয়ামিন হত্যা: অভিযুক্ত এএসআই গ্রে/ফ/তা/র

ডেস্ক রিপোর্ট | ঢাকা টোয়েন্টিফোর- / ২৩২ পাঠক
প্রকাশকাল সোমবার, ৪ আগস্ট, ২০২৫

সাভারে ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলার সময় শিক্ষার্থী শাইখ আসহাবুল ইয়ামিনের মরদেহ পুলিশের এপিসির ওপর থেকে ফেলে দেওয়ার ঘটনায় মোহাম্মদ আলী নামে পুলিশের এক সহকারী উপ-পরিদর্শককে (এএসআই) গ্রে/ফ/তা/র করা হয়েছে।
রোববার (৩ আগস্ট) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান।

গ্রেফতারকৃত এএসআই মোহাম্মদ আলী কিশোরগঞ্জ জেলার সদর থানার কালাইহাতি গ্রামের মৃত মুনসুর আলী ও নাজমা আক্তারের ছেলে। শাইখ আসহাবুল ইয়ামিন মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (এমআইএসটি) কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র ছিলেন।

পুলিশ জানায়, সাভার মডেল থানার মামলায় এবং আন্তজার্তিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আইসিটি মামলার গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি এএসআই মোহাম্মদ আলী (৩১) দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে রোববার সকালে নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ থানার মুরাপাড়া এলাকা থেকে আসামি এএসআই মোহাম্মদ আলীকে গ্রেফতার করা হয়। সাভার মডেল থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতারের পর ঢাকায় নিয়ে আসে।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই সাভারে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ইয়ামিন শহিদ হন। ঐ সময় পুলিশের সাঁজোয়া যান এপিসি থেকে তাকে টেনে নিচে ফেলে দেওয়ার ভিডিও তখনই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।

ভিডিওতে দেখা যায়, সাঁজোয়া যানের ওপর থেকে ইয়ামিনকে টেনে নিচে ফেলা হয়। এরপর পুলিশের এক সদস্য সাঁজোয়া যান থেকে নেমে ইয়ামিনের এক হাত ধরে তাকে টেনে আরেকটু দূরে সড়কে ফেলে রাখেন। পরে কয়েকজন পুলিশ সদস্য তাকে টেনে সড়ক বিভাজকের ওপর দিয়ে ঠেলে অপর পাশে ফেলে দেন।


এই ক্যাটাগরির আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর