সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০২:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
টিআইবি প্রকৃত ঘটনা জাজ করে স্টেটমেন্ট দেয় না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্বাবলম্বী সমাজ গড়তে সবার অংশগ্রহণ চাইলেন প্রধানমন্ত্রী জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে বস্ত্র বিতরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী ঈদ আনন্দে পর্যটকে মুখর সোনারগাঁর বিনোদনকেন্দ্র শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হলো ট্রাম্পের ইরান বৈঠক রাজধানীতে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করলেন প্রধানমন্ত্রী ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় ৪ বাংলাদেশি আহত যুদ্ধ থামাতে বড় সমঝোতার পথে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান, ৩০০ বিলিয়ন ডলারের প্রস্তাব মার্কিন গণমাধ্যম ও ডেমোক্র্যাটরা পাগল হয়ে গেছে : ট্রাম্প

লক্ষ্মীপুরে ক্লিনিকের ভেতরে নার্সকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত চিকিৎসক কারাগারে

ডেস্ক রিপোর্ট | ঢাকা টোয়েন্টিফোর- / ১৬৩ পাঠক
প্রকাশকাল সোমবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৫

রাজশাহীর লক্ষ্মীপুর এলাকায় অবস্থিত আল-আরাফাহ ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে একজন নার্সকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নার্স বাদী হয়ে মামলা করলে পুলিশ অভিযুক্ত চিকিৎসককে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।
ভুক্তভোগী নার্স অন্য একটি বেসরকারি ক্লিনিকে কর্মরত।

অভিযুক্ত চিকিৎসকের নাম আহসান হাবিব। তার গ্রামের বাড়ি নওগাঁ। তিনি রাজশাহীতেই থাকেন। গত ৮ সেপ্টেম্বর দিবাগত গভীর রাতে রাজশাহী নগরের লক্ষ্মীপুর এলাকায় অবস্থিত আল-আরাফাহ ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।

এমবিবিএস চিকিৎসক আহসান হাবিব প্রতিষ্ঠানটির আবাসিক মেডিকেল অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে চিকিৎসক আহসান হাবিব তাকে আল-আরাফাহ ক্লিনিকে নিজের চেম্বারে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন বলে তার অভিযোগ।

এজাহারের বর্ণনা অনুযায়ী, দুই বছর আগে ভুক্তভোগী নার্স ঢাকায় কর্মরত ছিলেন। তখন ফেসবুকের মাধ্যমে অভিযুক্ত চিকিৎসকের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। এরপর বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ঢাকার চাকরি ছাড়িয়ে ওই নার্সকে রাজশাহী আনেন চিকিৎসক। এরপর বিয়ে না করে তার ভাড়া বাসায় নিয়ে শারীরীক সম্পর্ক চালিয়ে যান। সবশেষ ক্লিনিকে নিয়ে ধর্ষণ করেন তিনি। সম্পর্ক চালিয়ে গেলেও ওই চিকিৎসক তাকে বিয়ে করেননি। একপর্যায়ে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। ভুক্তভোগী শুনেছেন, তিনি বিয়ে করে ঘর সংসার শুরু করেছেন।

এ নিয়ে ২৩ সেপ্টেম্বর নগরের রাজপাড়া থানায় ধর্ষণ মামলা করেন ভুক্তভোগী নার্স। পরে রোববার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আল-আরাফাহ ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে অভিযুক্ত চিকিৎসককে গ্রেফতার করে পুলিশ। সেদিনই তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রাজপাড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক আব্দুল আলিম জানান, ঘটনার পর ভুক্তভোগী নার্স রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি হন। সেখানে চিকিৎসা ও শারীরীক পরীক্ষা শেষে তিনি মামলা করেন।

তদন্ত কর্মকর্তা জানান, মামলা হওয়ার পর রোববার আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে বিকেলেই তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। তিনি মামলাটির তদন্ত শুরু করেছেন।

আল-আরাফাহ ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত জানি না। মামলায় ঘটনাস্থল হিসেবে আমাদের ক্লিনিকের নাম আছে বলে জেনেছি। এরপর সঙ্গে সঙ্গেই ডা. আহসান হাবিবকে ক্লিনিক থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।


এই ক্যাটাগরির আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর