সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
সোমবার ই-বেইল বন্ড চালু করবেন প্রধানমন্ত্রী সরকার জনগণের সঙ্গে মিথ্যাচার করছে: রুমিন ফারহানা ‘ফুয়েল পাস’ নিয়ে নতুন বার্তা দিলেন জ্বালানিমন্ত্রী ভাড়া বাড়াতে বৈঠকে বিআরটিএ ও পরিবহন মালিকরা পার্বত্য চট্টগ্রামকে পিছনে ফেলে বাংলাদেশের উন্নয়ন হবে না: পার্বত্যমন্ত্রী পহেলা বৈশাখে ১০ জেলায় কৃষক কার্ড উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী সংসদ থেকে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, কারণ জানালেন শফিকুর রহমান দেশে পর্যাপ্ত তেলের মজুত রয়েছে, বিভ্রান্তিকর তথ্যে কান না দেওয়ার আহ্বান সরকারের রাজধানীতে ঈদের জামাতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা থাকবে: ডিএমপি নীলসাগর এক্সপ্রেসের ৮ বগি লাইনচ্যুত, ঢাকা-উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ

গ্যাস সংকটে সার কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত: শিল্পমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট | ঢাকা টোয়েন্টিফোর- / ১৩ পাঠক
প্রকাশকাল রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

গ্যাস সংকটের কারণে দেশের ইউরিয়া সার কারখানাগুলোর উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির।

তিনি বলেন, ‘বৈশ্বিক বিভিন্ন যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে সৃষ্ট সরবরাহ শৃঙ্খল সংকট এবং জ্বালানি ঘাটতির কারণে শিল্প খাত বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে সার উৎপাদনে, যা দেশের কৃষি খাতের জন্য উদ্‌বেগজনক।’

রবিবার (১৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর লিখিত প্রশ্নের জবাবে শিল্পমন্ত্রী এসব তথ্য তুলে ধরেন।

তিনি জানান, বর্তমানে গ্যাসের অভাবে দেশের অধিকাংশ ইউরিয়া সার কারখানা বন্ধ রয়েছে। তবে ঘোড়াশাল-পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি সীমিত পরিসরে উৎপাদন চালিয়ে যাচ্ছে।

শিল্পমন্ত্রী আরও বলেন, ‘জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের আশ্বাস অনুযায়ী আগামী ১ মে থেকে শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডে গ্যাস সরবরাহ পুনরায় শুরু হবে। এতে কারখানাটি আবার উৎপাদনে ফিরতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।’

দেশীয় উৎপাদনের ঘাটতি মোকাবেলায় সরকার আমদানির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও জানান তিনি। এর অংশ হিসেবে সরকার-টু-সরকার (জিটুজি) চুক্তির আওতায় সৌদি আরব থেকে ২ লাখ টন, সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ১ লাখ টন এবং আন্তর্জাতিক কোটেশন পদ্ধতির মাধ্যমে আরও ৪ লাখ টন ইউরিয়া সার আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এছাড়া সার উৎপাদনে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামাল যেমন- রক ফসফেট, ফসফরিক অ্যাসিড ও সালফারের সরবরাহ নিশ্চিত করতেও সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। টেন্ডারের পাশাপাশি মরক্কো, জর্ডান, ওমান, ইউএই, চীন ও মালয়েশিয়ার সঙ্গে জিটুজি চুক্তির মাধ্যমে এসব কাঁচামাল সংগ্রহের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

সরকার আশা করছে, এসব উদ্যোগের মাধ্যমে সার সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হবে এবং কৃষি উৎপাদনে কোনো বিঘ্ন ঘটবে না।


এই ক্যাটাগরির আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর