শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১২:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
সোমবার ই-বেইল বন্ড চালু করবেন প্রধানমন্ত্রী সরকার জনগণের সঙ্গে মিথ্যাচার করছে: রুমিন ফারহানা ‘ফুয়েল পাস’ নিয়ে নতুন বার্তা দিলেন জ্বালানিমন্ত্রী ভাড়া বাড়াতে বৈঠকে বিআরটিএ ও পরিবহন মালিকরা পার্বত্য চট্টগ্রামকে পিছনে ফেলে বাংলাদেশের উন্নয়ন হবে না: পার্বত্যমন্ত্রী পহেলা বৈশাখে ১০ জেলায় কৃষক কার্ড উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী সংসদ থেকে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, কারণ জানালেন শফিকুর রহমান দেশে পর্যাপ্ত তেলের মজুত রয়েছে, বিভ্রান্তিকর তথ্যে কান না দেওয়ার আহ্বান সরকারের রাজধানীতে ঈদের জামাতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা থাকবে: ডিএমপি নীলসাগর এক্সপ্রেসের ৮ বগি লাইনচ্যুত, ঢাকা-উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ

লক্ষ্মীপুরে ক্লিনিকের ভেতরে নার্সকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত চিকিৎসক কারাগারে

ডেস্ক রিপোর্ট | ঢাকা টোয়েন্টিফোর- / ১৩৬ পাঠক
প্রকাশকাল সোমবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৫

রাজশাহীর লক্ষ্মীপুর এলাকায় অবস্থিত আল-আরাফাহ ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে একজন নার্সকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নার্স বাদী হয়ে মামলা করলে পুলিশ অভিযুক্ত চিকিৎসককে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।
ভুক্তভোগী নার্স অন্য একটি বেসরকারি ক্লিনিকে কর্মরত।

অভিযুক্ত চিকিৎসকের নাম আহসান হাবিব। তার গ্রামের বাড়ি নওগাঁ। তিনি রাজশাহীতেই থাকেন। গত ৮ সেপ্টেম্বর দিবাগত গভীর রাতে রাজশাহী নগরের লক্ষ্মীপুর এলাকায় অবস্থিত আল-আরাফাহ ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।

এমবিবিএস চিকিৎসক আহসান হাবিব প্রতিষ্ঠানটির আবাসিক মেডিকেল অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে চিকিৎসক আহসান হাবিব তাকে আল-আরাফাহ ক্লিনিকে নিজের চেম্বারে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন বলে তার অভিযোগ।

এজাহারের বর্ণনা অনুযায়ী, দুই বছর আগে ভুক্তভোগী নার্স ঢাকায় কর্মরত ছিলেন। তখন ফেসবুকের মাধ্যমে অভিযুক্ত চিকিৎসকের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। এরপর বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ঢাকার চাকরি ছাড়িয়ে ওই নার্সকে রাজশাহী আনেন চিকিৎসক। এরপর বিয়ে না করে তার ভাড়া বাসায় নিয়ে শারীরীক সম্পর্ক চালিয়ে যান। সবশেষ ক্লিনিকে নিয়ে ধর্ষণ করেন তিনি। সম্পর্ক চালিয়ে গেলেও ওই চিকিৎসক তাকে বিয়ে করেননি। একপর্যায়ে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। ভুক্তভোগী শুনেছেন, তিনি বিয়ে করে ঘর সংসার শুরু করেছেন।

এ নিয়ে ২৩ সেপ্টেম্বর নগরের রাজপাড়া থানায় ধর্ষণ মামলা করেন ভুক্তভোগী নার্স। পরে রোববার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আল-আরাফাহ ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে অভিযুক্ত চিকিৎসককে গ্রেফতার করে পুলিশ। সেদিনই তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রাজপাড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক আব্দুল আলিম জানান, ঘটনার পর ভুক্তভোগী নার্স রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি হন। সেখানে চিকিৎসা ও শারীরীক পরীক্ষা শেষে তিনি মামলা করেন।

তদন্ত কর্মকর্তা জানান, মামলা হওয়ার পর রোববার আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে বিকেলেই তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। তিনি মামলাটির তদন্ত শুরু করেছেন।

আল-আরাফাহ ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত জানি না। মামলায় ঘটনাস্থল হিসেবে আমাদের ক্লিনিকের নাম আছে বলে জেনেছি। এরপর সঙ্গে সঙ্গেই ডা. আহসান হাবিবকে ক্লিনিক থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।


এই ক্যাটাগরির আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর