বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী জুলাইয়ের শহিদদের ভুলিনি, গণহত্যার বিচার না হওয়া পর্যন্ত থামব না: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক পদত্যাগের ৯০ দিনের মধ্যেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন: স্পিকার রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন গলা চেপে ধরার ঘটনায় আর্জেন্টিনার ফুটবলারের লাল কার্ড বাতিল সৌদি-মার্কিন ঐতিহাসিক পরমাণু চুক্তি: ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার পথে রিয়াদ! ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সমাধানের পথ খোলা আছে: মার্কো রুবিও কে এই ইজাবেলা গঞ্জালেস? ইরানি হামলায় নিহত ১৯ বছর বয়সী মার্কিন নারী সেনা সাতক্ষীরা নৈতিকতায় প্রশ্নবিদ্ধ এমপিকাণ্ড কালো টাকা সাদা করার বিধান প্রত্যাহারসহ বিভিন্ন খাতে সংশোধনী প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

গাজীপুরে র‍্যাবকে অবরুদ্ধ করার ঘটনায় মামলা, গ্রেফতার ১৪

ডেস্ক রিপোর্ট | ঢাকা টোয়েন্টিফোর- / ২২৩ পাঠক
প্রকাশকাল বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

গাজীপুরের শ্রীপুরে অস্ত্র উদ্ধারের অভিযানে গিয়ে স্থানীয় জনতার হামলার শিকার হয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা অবরুদ্ধ ছিলেন র‌্যাব সদস্যরা। পরে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে তারা অবরোধমুক্ত হন। এ ঘটনায় র‌্যাব বাদী হয়ে মামলা করেছে।
মামলার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১৪ জনকে গ্রেফতার করেছে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। একই মামলায় আরও দেড়শতাধিক অজ্ঞাত ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছে।

রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৬টার দিকে বরমী ইউনিয়নের বরামা চৌরাস্তা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, র‌্যাব অস্ত্র উদ্ধারের পর আটক মোশারফ হোসেনকে ছিনিয়ে নিতে স্থানীয় জনতা র‌্যাবের গাড়ি ঘিরে ধরে। একপর্যায়ে তারা বরমী-শ্রীপুর আঞ্চলিক সড়ক অবরোধ করে এবং র‌্যাবের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকে।

আটককৃত মোশারফ হোসেন (৩৫) ঢুলিপাড়া গ্রামের আহাম্মদ আলীর ছেলে। তিনি বরামা মোড়ে একটি অটোরিকশা মেরামতের গ্যারেজ চালাতেন। র‌্যাবের দাবি, তার গ্যারেজ থেকে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

শ্রীপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মহম্মদ আবদুল বারিক বলেন, র‌্যাবের গাড়ি অবরুদ্ধের ঘটনায় মামলা হয়েছে। ১৪ জনকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলায় ২২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, অজ্ঞাত আসামি রয়েছে আরও দেড়শতাধিক।

গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপার চৌধুরী ড. যাবেদ সাদেক জানান, বরামা এলাকায় র‌্যাবের সঙ্গে স্থানীয়দের ঝামেলা হয়েছিল। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী যৌথভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।


এই ক্যাটাগরির আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর